🕓 সংবাদ শিরোনাম

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৩৩ জনের মৃত্যুচট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২৫, মৃত্যু ৪সুনামগঞ্জে বিদ্যুতায়িত হয়ে মা ও ছেলেসহ ৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুসৌদি আসতে দিতে হবে করোনা ভ্যাকসিন, নয়তো থাকতে হবে কোয়ারেন্টিনেএখনো ঈদ করতে বাড়ী আসছে দক্ষিনঅঞ্চলের ২১জেলার হাজার হাজার মানুষকরোনার হটস্পট কেরানীগঞ্জ, ঈদে ছাপ নেই স্বাস্থ্য বিধিরবস্তার দোকানে মাদকের ব্যবসা, দুই জন আটকডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি গ্রেপ্তারভারত থেকে চট্টগ্রামে আসা ৪ জনের করোনা শনাক্ত ত্রিশালে পণ্য বিপনন মনিটরিং কমিটির মতবিনিময় সভা

  • আজ রবিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৬ মে, ২০২১ ৷

কোন পানি খাব, সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার: ওয়াসার এমডি


❏ মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৩, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- ঢাকা ওয়াসার পানি ‘শতভাগ বিশুদ্ধ’ বলে দাবি করলেও সেই পানি দিয়ে তৈরি করা শবরত খাওয়াতে গেলে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খানকে অফিসে পাননি রাজধানীর জুরাইন এলাকার বাসিন্দারা।

এ প্রসঙ্গে জানতে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে ওয়াসার এমডি একটি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি তো খাব আমার পানি। আমি কোনটা খাব, না-খাব; সেটা তো আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

তিনি বলেন, আমি তো কারো পানিতেই… কারোই তো খাব না। আমি তো খাব আমার পানি। আমি কোনটা খাব, না-খাব; সেটা তো আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

এদিন দুপুরের দিকে ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খানকে প্রশ্ন করা হয়- ওয়াসার পানি যেহেতু সুপেয়, মিজানুরের বানানো ওই শরবত তিনি খাবেন কি না?

জবাবে তাকসিম এ খান বলেন, অন্য কারো হাতে বানানো শরবত তিনি খাবেন না। মিজানুরের নিয়ে আসা শরবত খাওয়ারও কোনো প্রশ্ন আসে না।

তিনি বলেন, তাদের পানিতে যদি ময়লার অভিযোগ থাকে, তাহলে তারা পরিচালকের সঙ্গে কথা বলতে পারে।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে এমডিকে ওয়াসার ‘সুপেয় পানি’ দিয়ে বানানো শরবত খাওয়াতে কারওয়ান বাজারে ওয়াসা ভবনের সামনে হাজির হন জুরাইন এলাকার বাসিন্দারা। এ সময় তাদের সঙ্গে ঢাকা ওয়াসার পানি, চিনির প্যাকেট ও লেবু ছিল।

আজ অফিসে না থাকা প্রসঙ্গে ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান বলেন, ‘আমাদের ডাইরেক্টর (পরিচালক) সাহেবের সঙ্গে তাদের (শরবত নিয়ে আসা ব্যক্তিদের) কথা হয়েছে। আমি এখন পিএম অফিসে আছি। আজকে সকালে একটা প্রোগ্রাম ছিল আমার। তারপর শ্রীলঙ্কায় নিহত সেলিম ভাইয়ের নাতির ওখানে গিয়েছিলাম, শোক জানাতে। তারপর পিএম অফিসে এখন মিটিংয়ে আছি।’

এমডি আরও বলেন, ‘আমার ডাইরেক্টর সাহেব অভিযোগকারীদের কথা শুনেছেন। উনি জবাব দিয়েছেন। উনারা গিয়েছিলেন যে, উনাদের ওখানে পানি অপরিষ্কার। সেই কমপ্লেইনটা উনারা রেখেছেন এবং সঙ্গে সঙ্গে ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করতে পাঠিয়ে দিয়েছি।’