সংসার ভাঙার পিছনে এক অভিনেত্রীকে দায়ী করলেন মিলা!

⏱ | বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৫, ২০১৯ 📁 বিনোদন
mila

বিনোদন ডেস্ক :: রাজধানীর বেইলী রোডের এক রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিজের সংসার ভাঙার পিছনে জনপ্রিয় এক অভিনেত্রীকে দায়ী করলেন সংগীত শিল্পী মিলা। বুধবার বিকেলে এ সংবাদ সম্মেলন করেন মিলা।

সংগীত শিল্পী মিলা সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, তার সাবেক স্বামী বৈমানিক পারভেজ সানজারির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন এক অভিনেত্রী। যার প্রভাব পড়ে তার সংসারে। ফলে, এক সময় সংসার ভেঙে যায়।

মিলা অভিযোগ করেন, তার স্বামীর সঙ্গে অনেক মেয়ের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। অভিনেত্রী নওশীন নাহরিন মৌ-এর সঙ্গেও ছিল তার অবৈধ সম্পর্ক। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি ফোনও করেন নওশীনকে। সংবাদ সম্মেলনে সেই ফোন রেকর্ড সাংবাদিকদের শোনান মিলা।

এই পপতারকা বলেন, নওশীন ও পারভেজ সানজারির কথোপকথনের কিছু রেকর্ড আমার হাতে আসে। এমন কিছু ছবিও দেখি, যা মুখে প্রকাশ করার মতো না। বিষয়টি দেখে, আমি নওশীনকে ফোন করি। তাকে অনুরোধও করেছি, কিন্তু সে আমার কোনো কথাই শোনেনি।

মিলা জানান, তার সাবেক স্বামীর সঙ্গে নওশীনের অবৈধ সম্পর্কের বিষয়ে হিল্লোলকে (নওশীনের স্বামী) জানানোর পরও কোনো সুরাহা হয়নি। উল্টো বিষয়টি নিয়ে সাইবার ক্রাইমে মিলার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন নওশীন। পরে সাইবার ক্রাইম বিভাগ থেকে তাকে ফোনও করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আজ আমি আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। আমার ভালো-খারাপ সব কিছুর সাক্ষী আপনারা। তাই আপনাদের সাহায্যই আমাকে ন্যায় বিচার পেতে।

সংবাদ সম্মেলনে মিলা তার সাবেক শ্বশুরবাড়ি ও স্বামীর অমানুষিক নির্যাতনের বর্ণনা তুলে ধরেন এবং এর বিচার দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মিলার বাবা লেফটেন্যান্ট জেনারেল শহিদুল ইসলাম, তার মা এবং ছোট বোন দিশা।

এর আগে, গেল ১৭ই এপ্রিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তার নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেয়া এক পোস্টে তার ওপর চালানো অমানুষিক নির্যাতনের বর্ণনা দেন।

মিলা তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, কত কত জীবিত “নুসরাত” আইন এর কাছে দাঁড়ান দিনের পর দিন…কিন্তু না মেরে ফেলা পর্যন্ত তাদের জন্য কোনও আওয়াজ উঠবে না.. আইন দেশের সুন্দর..দুই বছর হয়ে যাচ্ছে.. কোর্ট এ উল্টা জঘন্যভাবে চিৎকার দিয়ে অপবাদ দেয়া হয় আমাকে .. বিচার তো দূর…দাখিল করা “খ” ধারার চার্জশিট আমাকে না বুঝতে দিয়ে “গ” ধারায় মামলা চার্জ গঠন করা হয়…

আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে.. আমার জানা ছিল, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় কোনো রকমের হস্তক্ষেপে নেত্রীর কঠোর নিষেধ রয়েছে .. তিন বার আদালতের আদেশ টানা অমান্য করলে জামিন বাতিল হবার কথা..পাঁচবার আমাকে কোর্ট নানান বুঝ দিয়ে পার্মানেন্ট জামিন দেয়…আমি এখন বলতেও পারি নাই শেষের দিন আমার শাশুড়ি ,আমার স্বামীর কথায় আমাকে কিভাবে বাথরুম থেকে দরজা ভেঙে বিনা কাপড় পরিহিত অবস্থায় জঘন্য ভাবে টেনে আমার দেবর তার স্ত্রী এবং তার স্ত্রীর বাবা মায়ের সামনে এক ঘন্টা গালিগালাজ করতে থাকে… আমার বাবা ভাইবারে ভিডিও কলের মাধ্যমে পুরো ঘটনা দেখে.. এক পর্যায়ে আমি হাত জোড় করে ভিক্ষা চাই এই বলে “আম্মু আমাকে মেয়ে বলে নিয়ে আসছিলেন ..আমার গায়ে কাপড় নাই.. দয়া করে আমাকে ঘরের দরজা বন্ধ করে যা বলার বলেন..কিন্তু এই অপমান করেন না” …ভিডিও টা এখনও আমার কাছে…দেশের শিল্পী আমি?