🕓 সংবাদ শিরোনাম

শরীয়তপু‌রে কৃষিঋণ পেতে হয়রানি, ব্যাংকে দালাল চ‌ক্রের দৌরাত্ম্য চর‌মে!স্কটল্যান্ডের সংস‌দে প্রথম বাংলা‌দেশি এমপি নবীগঞ্জের ফয়ছল চৌধুরীসিলেটে চাহিদামতো ইফতারি না দেয়ায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হত্যা!করোনাকালে কিন্ডারগার্টেন ও নন-এমপিও শিক্ষকদের করুণ দশা!ওয়ালটন স্মার্টফোনে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ঈদ সালামি’চাচীর পরকীয়ার কথা জেনে যাওয়ায় ভাতিজাকে নৃসংশ ভাবে খুনকেরাণীগঞ্জে দুই কিশোরীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার-৪চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের উপর মাদক কারবারিদের হামলা: এস আইসহ আহত-৫রোজার মহিমায় মুগ্ধ হয়ে ভারতীয় তরুণীর ইসলাম গ্রহণপর্তুগালে সবচেয়ে বড় ঈদ জামাতের অনুমতি

  • আজ রবিবার,২৬ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ৯ মে, ২০২১, সকাল ১০:৩৭

চাকা ঘুরছে বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরুর

❏ বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৫, ২০১৯ খেলা

স্পোর্টস্ আপডেট ডেস্ক :: বুধবার পাঞ্জাবকে হারিয়ে বেঙ্গালুরুর একটা প্রাপ্তি হয়েছে। সেই শুরু থেকে লিগ তালিকার একদম শেষে পড়ে থাকা বেঙ্গালুরু এক ধাপ উঠেছে। তারা এখন ৭ নম্বরে। লিগের তলায় গিয়ে পৌঁছেছে রাজস্থান। বুধবার আইপিএলের টানটান উত্তেজনার ম্যাচে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে ১৭ রানে হারিয়ে দেয় বেঙ্গালুরু।

শুরুর দিকে ছন্দে না থাকলেও জ্বলে উঠেছে ডিভিলিয়ার্স’র ব্যাট। বেঙ্গালুরুর প্রধান ভরসা। পাঞ্জাব এদিন শুরু থেকে বড় রানের ইনিংস তাড়া করে নিজেদের ভাল জায়গায় নিয়ে চলে যায়। কিন্তু শেষের দিকে রান তোলার গতি হারায় তারা। যার খেসারতও দিতে হয়। ম্যাচ জেতে বেঙ্গালুরু।

বুধবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কোহলির উইকেট দ্রুত হারায় বেঙ্গালুরু। ১৩ রানে কোহলি ফেরার পর পার্থিব প্যাটেল ও ডিভিলিয়ার্স জুটি বাঁধেন। পার্থিব ২৪ বলে ৪৩ রানের একটা ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। মাত্র ৪ রান করে ফেরেন মইন আলি। তবে একটা দিক ধরে রেখেছিলেন ভিলিয়ার্স। একাই টানছিলেন ইনিংস।

৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বেঙ্গালুরু। আর এখান থেকেই ম্যাচের হাল শক্ত হাতে ধরে নেন ভিলিয়ার্স ও স্টোইনিস। খেলার শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন তাঁরা। ভিলিয়ার্স করেন ৮২ রান। স্টোইনিস ৪৬ রান। এদের কাঁধে ভর করে ২০২ রান করে বিরাটবাহিনী।

বিশাল রান তাড়া করতে নেমে যেমন শুরুটা হওয়া উচিত, একদম তেমনই একটা শুরু পায় পাঞ্জাব। গেইল আর কেএল রাহুল দুরন্ত গতিতে রান তুলতে থাকেন। গেইল ২৩ রান করে ফিরলেও রাহুল ও মায়াঙ্ক আগরওয়াল রানের গতি ধরে রাখেন। এসময়ে টানা ১০-এর ওপর রান রেট ধরে রেখেছিল তারা। মায়াঙ্ক ফেরেন ৩৫ রান করে। তখনও খেলা কার্যত হাতের মধ্যেই ছিল। এখানেই ভুল করে বসেন রাহুল। ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেলেন।

রাহুল ৪২ রান করে ফিরলেও খেলার গতি ধরে রেখে দলকে জয়ের লক্ষ্যে টেনে নিয়ে যেতে থাকেন পুরান ও মিলার। ঝোড়ো ইনিংস খেলেন পুরান। ২৮ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। ধরে খেলে মিলার ফেরেন ২৪ রান করে। এরপর শেষে দরকার ছিল একটা ঝোড়ো ইনিংসের। কিন্তু অশ্বিন, মনদীপ, ভিলজোয়েন, মুরুগান কেউই সেই খেলা খেলতে পারেননি। যার ফলে বেঙ্গালুরুর চেয়ে ১৭ রান দূরেই শেষ হয় পঞ্জাবের ইনিংস। ম্যাচের সেরা হন ভিলিয়ার্স।