সংবাদ শিরোনাম

পরীক্ষা ছাড়া এইচএসসির ফল প্রকাশে সংসদে আইন পাসশৈত্যপ্রবাহে কাপছে হিলিবাসী, হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহনকোকো বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে নিজেকে স্মরণীয় করে রেখেছেন: মির্জা ফখরুলচাঁদপুরে ভাঙা ঘরে ৭ সদস্যের সংসার: মাথা গোঁজার ঠাঁই চান অসহায় জাফরবাইডেনের শপথ অনুষ্ঠান: ২০০ নিরাপত্তারক্ষী করোনায় আক্রান্তআশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেলেন দুই বারের নির্বাচিত সাবেক এমপিএবার মেলানিয়াও ‘ছেড়ে গেলেন’ ট্রাম্পকে!, ভিডিও ভাইরালকরোনায় মৃতের পরিবারকে ১০ লাখ টাকার চেক দিল ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডপাগলা মসজিদের সিন্দুকে এবার দুই কোটি ৩৮ লাখ টাকা, মিলেছে স্বর্ণালঙ্কারওবগুড়ায় মোটরসাইকেল চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার

  • আজ ১০ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নদীর পাশে ময়লার স্তূপ, দূর্গন্ধে অতিষ্ট জনজীবন!

◷ ৩:১৯ অপরাহ্ন ৷ শনিবার, এপ্রিল ২৭, ২০১৯ সমস্যা ও সমাধান

তাহজীবুল আনাম, কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার শহরের কস্তুরা ঘাট সংলগ্ন বাকখাঁলী নদীর ধারে বিশাল ময়লার স্তূপের দূর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়েছে।এসব দূর্গন্ধ বাতাসে মিশে চারিপাশে বসবাসরত মানুষের নানা ধরনের রোগ সৃষ্টি হচ্ছে ।

বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে এসব দূষিত উপাদান সহজেই নিশ্বাসের মাধ্যমে নিমিষেই একজন সুস্থ মানুষকে অসুস্থ করে দিতে পারে।এসব দূষিত পদার্থ থেকে জন্ম নেয় ডেঙ্গু মশা,মাছি ও নানা ধরনের ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ। এসব মশা- মাছি মানুষের শরীর ও খাবারের মাধ্যমে রোগ জীবাণু বহন করে তাকে। যার ফলে লেগে আছে ডায়রিয়া, জন্ডিস, আমাশয়,ম্যালেরিয়া, কলেরা, টাইফয়েড ও ডেঙ্গুজ্বর সহ নানাবিধ অসুখ।

এছাড়াও শহরের সমস্ত বর্জ্যগুলো সরাসরি ট্রাক বা ভ্যান যোগে বাকখাঁলী নদীর পাশে রাখলে এসব নোংরা আবর্জনা বৃষ্টি হলে নদীর পানির সাথে মিশে যায়। ফলে এসব বর্জ্যে থাকা দূষিত উপাদানগুলো বৃষ্টির পানির সাথে মিশে নদীতে গেলে দূষিত হচ্ছে পানি।এ ক্ষতিক্ষর দূষণের কারনে নদীর মাছ ও শংকামুক্ত নয়।এসব বর্জ্যের দূষণে নদীর মাছে সৃষ্টি হচ্ছে নানান রোগ।ফলে ক্রমশ নদীর মাছের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে ।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল করিম সওদাগর জানান, এসব ময়লার দূর্গন্ধে রাস্তা দিয়ে হাটতে কষ্ট হয়ে যায়, দোকানে বসা দূরের কথা। এ পচা বর্জ্যের দূর্গন্ধে ছোট ছেলে মেয়েরা ঘন ঘন অসুস্থ হয়ে পড়ে।আমরা এসব বর্জ্য যথাযোগ্য প্রক্রিয়ায় এস্থান থেকে অপসারণ চাই।

পরিবেশবিধরা বলেন,এসব বর্জ্য যদি খালি ময়দান বা নদীর ধারে না রেখে নির্দিষ্ট কোন স্থানে গর্ত করে মাটি চাপা দেয়া হয় তাহলে হয়তো এর দূর্গন্ধে বিপাকে পড়তে হতনা শহরবাসীকে। উন্নত রাষ্ট্রে এসব পচা বর্জ্য দিয়ে বিভিন্ন ধরনের উর্বর সার এবং গ্যাসও তৈরি করে থাকেন।

এব্যাপারে কক্সবাজার পৌরসভা মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, আমরা বর্জ্যগুলো নির্দিষ্ট কোন স্থানে অপসারণের জন্যে স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা করবো।এবং নদীর পানিতে যেন বর্জ্য না মিশে সে ব্যবস্থাও নেয়া হবে।