🕓 সংবাদ শিরোনাম

সৌদিআরবকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে আশাবাদী’দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছেএকটা কার্ড করে দেনা বাজান, খেয়ে বাঁচি ! ফুলবাডীতে সামদ্রিক শৈবাল চাষের প্রোজেক্ট পরিদর্শন করলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারপটুয়াখালীতে চাল আত্মসাতের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তারসরকার আইন-আদালতকে নিজের সুবিধায় ইচ্ছেমত ব্যবহার করছে -মির্জা ফখরুলআগুন নিয়ে খেলবেন না: নেতানিয়াহুকে হামাসপ্রধানইসরাইলের চেলসিকে হারিয়ে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন ‘বাংলাদেশের’হামজাপ্রবল বেগে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘টিকটিকি’রোহিঙ্গা শিবিরে ডাকাতের গুলিতে রোহিঙ্গা নেতা নিহতশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ল

  • আজ রবিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৬ মে, ২০২১ ৷

চাঁদাবাজির অভিযোগে টাঙ্গাইল থানার এসআই জেসমিন প্রত্যাহার


❏ রবিবার, এপ্রিল ২৮, ২০১৯ ঢাকা, দেশের খবর

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি- চাঁদাবাজি ও হয়রানীর অভিযোগে টাঙ্গাইল মডেল থানার এসআই জেসমিন আক্তারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (২৮ এপ্রিল ) সকালে তাকে টাঙ্গাইল সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে নেয়া হয়। একইসাথে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এসআই জেসমিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার।

শনিবার (২৭ এপ্রিল) এই নারী এসআইয়ের চাঁদাবাজি ও হয়রানির বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি করে ঘন্টাব্যাপি টাঙ্গাইল মডেল থানা ঘেরাও করে রাখেন সদর উপজেলার বেলতা গ্রামের কয়েক শতাধিক লোকজন। পরে পুলিশ ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রাত নয়টার দিকে থানা চত্তর ত্যাগ করে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কিছুদিন আগে সদরের বেলতা গ্রামে একটি হত্যাকান্ড ঘটে। সেই হত্যাকান্ডের তদন্তের নামে টাঙ্গাইল মডেল থানার এসআই জেসমিন। ওই তদন্ত কর্মকতার সোর্স উপজেলার পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের কাবিলাপাড়ার ইসমাইল হোসেনের ছেলে বক্কর আলী মাধ্যমে গ্রামবাসীর কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে।

এর ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে ওই সোর্স বেলতা গ্রামে গিয়ে আবারো মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করলে গ্রামবাসী তাকে আটক করে। সোর্সের আটকের খবর পেয়ে এসআই জেসমিন তাকে উদ্ধার করতে গেলে গ্রামবাসী তাকেও আটকে রাখে। খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশ গেলে রাস্তায় গাছ ফেলে গাড়িসহ প্রায় আধা ঘন্টা রাস্তা অবরোধ করে রাখে গ্রামবাসী। পরে কৌশলে পুলিশ সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। সন্ধ্যার পর গ্রামবাসী একত্র হয়ে জেসমিন ও সোর্সের শাস্তির দাবিতে থানা ঘেরাও করে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় জানান, জেসমিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাবার কারণে তাকে সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এবিষয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। অভিযোগ প্রমাণিত না হলে তাকে পুনরায় টাঙ্গাইল মডেল থানায় ফেরত পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।