• আজ রবিবার,২৬ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ৯ মে, ২০২১, রাত ১০:১০

পৃথিবীর যত উন্নয়ন শ্রমিকের রক্ত ও ঘাম থেকে: কৃষিমন্ত্রী

❏ বুধবার, মে ১, ২০১৯ জাতীয়

মোল্লা তোফাজ্জল, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি- কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, পৃথিবীর যত উন্নয়ন হয়েছে শ্রমিকের রক্ত ও ঘাম থেকে। শ্রমিকদের দিয়ে অমানুষিক পরিশ্রম করিয়ে, তাদের কম মজুরি দিয়ে, কম সুযোগ-সুবিধা দিয়ে যতো লাভ করা যায়, সেটা করা হতো। এক্ষেত্রে কোনো মানবিক দিক ছিল না। শ্রমিকের ন্যায্য দাবি-দাওয়ার কথা শোনা হতো না। শতাব্দির পর শতাব্দিতে শ্রমিকরা সংগ্রাম করেছে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করেছে।

বুধবার (১ মে) মহান মে দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশন ধনবাড়ী উপজেলা শাখার উদ্যোগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশ আজ উন্নয়নের পথে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সব সময় শ্রমিকের স্বার্থ দেখেছে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আয় হয়, সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা আসে গার্মেন্টস সেক্টর থেকে। এই গার্মেন্টস সেক্টরে শ্রমিকরা সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে। জরুরী কাজের সময় শ্রমিকরা কারখানায় খায় এবং কারখানায়ই ঘুমায়। আবার কাজ করে। এগুলোর বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা অনেক কর্মসূচী নিয়েছেন। নূন্যতম বেতন নির্ধারণ করে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি অনুরোধ করবো- আপনারা যারা শ্রমিক তারা দায়িত্বশীল হবেন। গাড়ীর মালিকরা গাড়ী চালাতে দক্ষ চালকের হাতে গাড়ী দিবেন। অদক্ষ চালকের পরিণতি এবং পরিনাম খুবই খারাপ।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরকার সারের দাম কমিয়েছেন। দেশে সারের কোন অভাব নাই। চাষাবাদের জন্য কৃষি যন্ত্রপাতিতে ভতুর্কি আরো বাড়ানো হবে। যাতে কৃষকরা কৃষি যন্ত্রপাতি কিনতে পারে। শেখ হাসিনার সরকার খুবই উদার বলে জানিয়েছেন।

তিনি আরোও বলেন, গত নির্বাচনে আপনারা আমার সাথে ছিলেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ছিলেন। নৌকার পক্ষে ছিলেন। এখন আমার দায়িত্ব আমার কাজ আমরা যারা নির্বাচিত হয়েছি মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও চেয়ারম্যানদের দায়িত্ব হলো মানুষের সেবা করা। আপনারা দোয়া করবেন সততা ও নিষ্ঠার সাথে যেন আমরা আপনাদের সেবা করতে পারি।

টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশনরে ধনবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি মিনহাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হিরা, পৌর মেয়র খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম তপন প্রমুখ।