• আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

ঘূর্ণিঝড় 'ফণী' মোকাবেলায় নেতাকর্মীদের যে নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

hasina
❏ বৃহস্পতিবার, মে ২, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ আরও শক্তিশালী হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের অবস্থান করছে ‘ফণী’। ফণীর কারণে দেশের সব নদীবন্দরে নৌযান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখানো হয়েছে। তাছাড়া চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ মে) সচিবালয়ে বিভিন্ন দুর্যোগে গণমাধ্যমের করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের (বিসিজেএফ) নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান জানান, অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ বাংলাদেশে আঘাত হানলে ক্ষতি কমিয়ে আনতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে কাজ করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এনামুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আসন্ন দুর্যোগ মোকাবিলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগকে ক্ষতি কমিয়ে আনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমাদের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতির পাশাপাশি এ নির্দেশনা বাড়তি শক্তি হিসেবে কাজ করবে।
আবহাওয়া বিভাগ জানায়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার যা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ফণীর আঘাত বেশ মারাত্মক হতে পারে। ফণীর প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসও হতে পারে। ডুবে যেতে পারে নিম্নাঞ্চল।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে যাতে স্বল্প সময়ের নোটিশে তারা নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া বিভাগ জানায়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার যা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ্ কামাল বলেন, ১৯টি জেলা আক্রান্ত হতে পারে, সে সব জেলার মানুষ নিজেরাই সচেতন হয়েছে। আমরা পূর্বপ্রস্তুতি নিয়েছি। শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে, মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। আমরা একটি প্রাণও হারাতে চাই না। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।