প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাহুলকে পছন্দ করছেন না অনেকে, এগিয়ে আছেন মমতা!

❏ বৃহস্পতিবার, মে ২, ২০১৯ আন্তর্জাতিক
rahul

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। ক্ষমতাসীন দল বিজেপি নির্বাচনে জয়ী হলে প্রধানমন্ত্রীত্ব যে নরেন্দ্র মোদির কাছেই থাকছে, তা নিয়ে সন্দেহ তেমন নেই বললেই চলে। কিন্তু বিজেপি হারলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেটি নিয়ে জটিলতা রয়েই গেছে।

ভারতে বিরোধীদের মহাজোটের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেই বিষয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছে। আগামী ২১ মে এই বৈঠক হবে। বিরোধীদের প্রায় সব নেতৃত্ব উপস্থিত থাকবেন ওই বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মায়াবতী, শরদ পাওয়ার, চন্দ্রবাবু নাইডু বিভিন্ন নাম বারবার উঠে এসেছে।

অন্ধ্রপ্রদেশের মূখ্যমন্ত্রী তথা তেলুগু দেশম নেতা চন্দ্রবাবু নাইডু বলেছেন, নির্বাচনের ফল প্রকাশের ঠিক দুইদিন আগে প্রধানমন্ত্রীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিরোধী দলগুলো বৈঠকে বসবে।

তিনি আরো বলেন, নরেন্দ্র মোদী বিরোধীদের কটাক্ষ করে বলছেন প্রধানমন্ত্রী হবার জন্য যারা নতুন জামা নিয়ে বসে আছেন ফলপ্রকাশের পরে সেই জামা ফেলে দিতে হবে। এই ধরনের মন্তব্য একজন প্রধানমন্ত্রীর করা উচিৎ নয়, বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শোনা যাচ্ছে, শরদ পাওয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাহুল গান্ধীকে পছন্দ করছেন না। বরাবর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ আঞ্চলিক নেতানেত্রীদের তিনি এগিয়ে রাখছেন। যদিও শরদ পাওয়ার এই বিষয়ে তার প্রকাশিত বক্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ বিরোধী নেতাদের অভিযোগ ইভিএম যন্ত্র নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহ রয়েছে। অন্তত ৫০ শতাংশ ভিভিপ্যাট গননা করা উচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার অভিযোগ জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন বিরোধী দলের ক্ষমতায় থাকা রাজ্যগুলির সঙ্গে পক্ষপাতদুষ্টের মতো আচরণ করছে।

উল্লেখ করা যেতে পারে, দেশের সমস্ত বিজেপিবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গত ১৯ জানুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মহাজোট তৈরীর উদ্দেশে জনসভা হয়।

যদিও সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের মধ্যপর্যায়ে এসেও এখনো পর্যন্ত বিরোধীজোটের চিত্র পরিষ্কার নয়। এখন দেখার বিরোধীরা কাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করে। তার থেকেও বড় প্রশ্ন নির্বাচনে দেশের মানুষ কার পক্ষে রায় দেন।