সংবাদ শিরোনাম

পণ্যবাহী ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১খালেদার জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি নেই, হয়নি বিদেশ যাওয়ার সিদ্ধান্তওপ্রধানমন্ত্রী কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কিছু করেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমির্জাপুরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনশনিবার থেকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনাস্পুটনিক-৫ টিকা একে-৪৭’র মতো নির্ভরযোগ্য: পুতিনডোপটেস্টো রিপোর্ট: স্পিডবোটের চালক শাহ আলম মাদকাসক্তচাঁদপুরে ঐতিহাসিক বড় মসজিদে লক্ষাধিক মুসল্লির সালাতে ‘জুমাতুল বিদা’ রাঙামাটিতে ডিবির অভিযানে ইয়াবাসহ দুই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আটক! আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ : নারীসহ ৯জন আহত

  • আজ ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

আশ্রয় কেন্দ্রে না গেলে কোলে করে নিয়ে যাবে পুলিশ!

১০:২৪ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, মে ২, ২০১৯ জাতীয়
enam

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র আঘাত থেকে রক্ষা করতে ১৯ জেলার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে যারা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে থেকেও নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে চাইবেন না, জোর করে হলেও সরিয়ে নেওয়া হবে তাদের। প্রয়োজনে তাদের কোলে করে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাবে পুলিশ। এমনটাই জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। তিনি বলেন, পুলিশ এসব কারণে প্রস্তুত রয়েছে।

বরগুনার জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ জানিয়েছেন, আট নম্বর সতর্ক সংকেত দিলে সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হবে। ৩ হাজার ৩৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুই লাখ লোককে নেওয়া যাবে। যদি কেউ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে না চান, তাহলে জোর করে নেওয়া হবে। পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, কক্সবাজারে ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ সংকেত বেড়ে গেলে যে কোনও মূল্যে মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে। সেরকম প্রস্তুতি রয়েছে প্রশাসনের। সেজন্য পুলিশ-আনসারও প্রস্তুত। যারা যেতে চাইবেন না, তাদের জোর করে নিয়ে যাওয়া হবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় মোট ২ হাজার ৪৮৭টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিটি আশ্রয়কেন্দ্রে ৮০০ জন মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন।

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত কক্সবাজারের ব্যাপারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত আবহাওয়া বার্তায় কক্সবাজার, চট্টগ্রামে আঘাতের তেমন আশঙ্কা নেই।