🕓 সংবাদ শিরোনাম

কর্ণফুলী থানার পাশেই ছুরিকাঘাতে যুবক খুন সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করায়  ‘মিডিয়া এডুকেটরস নেটওয়ার্ক’ এর প্রতিবাদসাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে আমিরাতে সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সভাকক্সবাজারে বিপুল সিগারেটসহ ৩ যুবক আটকরোজিনার সঙ্গে যারা অন্যায় করেছে, তাঁদের জেলে পাঠান: ডা. জাফরুল্লাহকেরানীগঞ্জে ফ্ল্যাট থেকে যুবতীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারপাটগ্রাম সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে নারী ও শিশুসহ ২৪জন আটকসাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায়: ভিপি নুরসাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: হানিফআর এমন ভুল হবে না: নোবেল

  • আজ বুধবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৯ মে, ২০২১ ৷

সমকামী বাবার প্রেমিকের হাতে মর্মান্তিক মৃত্যু ছয় বছরের শিশুর!


❏ শুক্রবার, মে ৩, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: সমকামী সঙ্গী আগের মত সঙ্গ দিচ্ছে না। সেই রাগে তার ছ'বছরের ছোট্ট ছেলেকে গলা টিপে খুন করল এক ২৫ বছরের যুবক। মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের ভাঙরের কাশীপুরে। অভিযুক্ত সফিউল মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের কাছে নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছে সফিউল।

ছ'বছরের ছোট্ট ছেলেটির মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার পর তদন্তে নামে পুলিশ। এরপর শিশুটির মায়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি কাউকে সন্দেহ করেন কিনা। তখনই সামনে আসে সফিউলের কথা।

জানা যায়, যে চামড়ার ব্যাগ তৈরির কারখানার মালিক শিশুটির বাবা, সেখানেই কাজ করত সফিউল। ক্রমে সফিউলের সঙ্গে শরীরী সম্পর্ক গড়ে ওঠে কারখানার মালিকের। বেশ কিছু সময় ধরে তারা সেই সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ আগেই সেই সম্পর্কের কথা জেনে যান মালিকের স্ত্রী। তখনই স্বামীর সঙ্গে তীব্র ঝগড়া শুরু হয় তার। তারপর থেকেই সফিউলকে এড়িয়ে চলছিল তার কারখানার মালিক।

ক্রমে রাগ গাঢ় হতে থাকে সফিউলের। অভিযোগ, শেষমেশ তীব্র আক্রোশ থেকেই মালিকের ছোট্ট ছেলেটির গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে সে। দেহটিও গুম করে। তারপর আবার কারখানায় ফিরে এসে কাজে যোগ দেয়। মর্মান্তিক ঘটনার কথা জানতে পেরে স্তম্ভিত শিশুটির পরিবার ও এলাকাবাসীরা।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে এ প্রসঙ্গে জানাতে গিয়ে বারুইপুর থানার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইন্দ্রজিত্‍ বসু বলেন, অভিযুক্ত প্রথমে অপরাধ স্বীকার করতে চায়নি। কিন্তু পরে পুলিশি জেরার মুখে ভেঙে পড়ে সব কথা খুলে বলে সে। জানায় কীভাবে শিশুটিকে খুন করে তার দেহ লুকিয়ে রেখে আবার কারখানায় এসে কাজে যোগ দিয়েছিল সে।

মৃত শিশুর দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। সফিউলের সঙ্গে সম্পর্কের ব্যাপারে জেরা করা হচ্ছে শিশুটির বাবাকে।