সংবাদ শিরোনাম
  • আজ ২৫শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

২১০ কিমি বেগে ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’

❏ শুক্রবার, মে ৩, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ভারতের ওড়িশা রাজ্যের গোপালপুর ও পুরীতে সকাল সাড়ে নটা নাগাদ ফণির ঢুকে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। কিন্তু তার আগে সকাল আটটা নাগাদই তার অস্তিত্ব জানান দিতে থাকে ফণি। অবশেষে সাড়ে আটটার পর তা ঢুকে পড়ল ওড়িশা উপকূলে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, পুরি উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‌ফণী। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার। ওড়িশার বিভিন্ন স্থানে ভূমিধ্বস। আগেই উপকূলের বিভিন্ন এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে ১১ লাখ বাসিন্দা।

এর আগে শুক্রবার সকালে আনন্দবাজার জানায়, পূর্বাভাসের থেকে ৫-৬ ঘণ্টা আগেই স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে ফণীর ছোবল। গত তিন দিন উপগ্রহ চিত্রে গতিবিধির ওপর নজর রাখার পরে হাওয়া অফিস জানিয়েছিল, শুক্রবার বেলা তিনটের সময় বঙ্গোপসাগর থেকে স্থলভূমিতে ঢুকবে সাইক্লোন ফণী।

এখন সেই পূর্বাভাস বদলে দিল্লির মৌসম ভবনের সাইক্লোন সতর্কতা কেন্দ্রের প্রধান মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানাচ্ছেন, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ১২টার মধ্যে কোনও এক সময়ে ফণী আছড়ে পড়বে পুরী সংলগ্ন গোপালপুরে (গঞ্জামের ‘গোপালপুর অন সি’ নয়)। এর পরে তটরেখা ধরে সেটি পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে দক্ষিণবঙ্গের ওপর দিয়ে বাংলাদেশের দিকে চলে যেতে পারে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ পুরীতে ফণী আছড়ে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে মৌসম ভবনের একটি সূত্র।

এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মাঝরাত নাগাদ বাংলাদেশে আঘাত হানার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া শুক্রবারও পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর, চট্টগ্রাম বন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজারে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত বহাল রাখা হয়েছে।

ইতোমধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে, দমকা বাতাসে সমুদ্রে উত্তাল ঢেউ লক্ষ্য করা গেছে।