🕓 সংবাদ শিরোনাম

খেলার আগে মাঠে ফিলিস্তিনের পতাকা ওড়ালেন কুড়িগ্রামের ক্রিকেটারেরাপাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে থানায় নেওয়া হলো প্রথম আলোর রোজিনা ইসলামকেকর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১

  • আজ মঙ্গলবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৮ মে, ২০২১ ৷

ঘরবাড়ি ছেড়ে শহরের আত্মীয়দের কাছে আশ্রয় নিচ্ছে চরাঞ্চলের মানুষ


❏ শুক্রবার, মে ৩, ২০১৯ দেশের খবর, বরিশাল

সময়ের কণ্ঠস্বর, বরগুনা: চরাঞ্চলের মানুষের মনে আতঙ্কের নাম সাইক্লোন সিডর। ২০০৭ সালের ১৫ই নভেম্বর বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে ভয়াবহ সেই সিডর। সিডরের প্রভাবে নদীতে পানি বেড়ে গিয়ে ডুবে, গাছের চাপায় ও ঘরের নিচে পড়ে মারা গেছে অসংখ্য মানুষ। পানিতে ঘরবাড়ি ভাসিয়ে নিয়েছে নদীতে। ভয়াবহ সেই স্মৃতি কেউ আজও ভুলতে পারেনি। আর এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো চরাঞ্চলের মানুষগুলোই।

সাইক্লোন সিডরের পর ঘূর্ণিঝড় নার্গিস, আইলা, হ্যারিকেন, মোরা এবং বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় ফণী নাম নিয়ে আর্ভিভাব হয়েছে সাগরে। যেকোনো সময় আঘাত হানতে পারে উপকুলে। এ কারনে জীবন বাঁচাতে নদীরপাড় ও চরাঞ্চলে বসবাস করা মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বরগুনা শহরে আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয়ের জন্য আসা শুরু করেছে।

শুক্রবার (৩ মে) সকালে সদর উপজেলার গর্জনবুনিয়া গ্রাম থেকে রওয়ানা করে বরগুনা শহরের এক আত্মীয় বাড়ীতে এসেছেন ফাতিমা বেগম ও তার পরিবার। তিনি ২০০৭ সালের ১৫ই নভেম্বর সাইক্লোন সিডরে চার বছর বয়সী কন্যা শাহিনুরকে হারিয়েছেন। তাই সেই ভয়কে কেন্দ্র করে আগেই তারা এলাকা ছেড়েছেন।

নিশানবাড়ীয়া চড়ের সুখি বেগম জানান, আমার স্বামী সিডরে মারাগেছে। আমি পরিবারের কাউকে আর হারাতে চাইনা। সেজন্য ছেলে-মেয়ে নিয়ে প্রাণে বাঁচতে আত্মীয় বাড়ি বরগুনায় এসেছি। ঘূর্ণিঝড় কমলে আবার বাড়ি চলে যাবো।

বরগুনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) কবীর মাহমুদ জানান, শুধুমাত্র সাইক্লোন শেল্টার নয়। মানুষের জীবন ও জানমাল রক্ষা করতে সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার ভবনও প্রস্তুত করা হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় বারবার মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য বরগুনায় ৩৩৫টি সাইক্লোন শেল্টার খুলে রাখা হয়েছে। এতে অন্তত ২ লাখ মানুষ নিরাপদে আশ্রয় নিতে পারবে।

এছাড়াও ঘূর্ণিঝড়ে সম্ভাব্য ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে দুই'শ ২৬ বান্ডিল ঢেউটিন, চার'শ ২৩ মেট্রিক টন খাদ্য শষ্য, নগদ ১৩ লাখ ৯৬ হাজার টাকা, দুই হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার মজুদ রয়েছে।