🕓 সংবাদ শিরোনাম

কর্মস্থলে ফিরতে গাদাগাদি করে রাজধানীমুখী লাখো মানুষশেরপুরে পৃথক ঘটনায় একদিনে ৭ জনের মৃত্যুএক বিয়ে করে দ্বিতীয় বিয়ের জন্যে বড়যাত্রীসহ খুলনা গেল যুবক!আমার মৃত্যুর জন্য রনি দায়ী! চিরকুট লিখে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যাইসরাইলীয় আগ্রাসনের  বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্বের নিন্দার নেতৃত্বে সৌদি আরবত্রিশালে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুতে নিহতের বাড়ীতে চলছে শোকের মাতমকলাপাড়ায় এক সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধারটাঙ্গাইলে কৃষক শুকুর মাহমুদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার-১ফরিদপুরে নানা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিতজামালপুরে ঘর মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন জনের মৃত্যু

  • আজ সোমবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৭ মে, ২০২১ ৷

'ফণী'র ছোবল আতঙ্কে পটুয়াখালীর চরাঞ্চলবাসী!


❏ শুক্রবার, মে ৩, ২০১৯ দেশের খবর, বরিশাল

কৃষ্ণ কর্মকার, বাউফল প্রতিনিধি- ফণী ফণা তুলে আছে, কখন যে ছোবল দেয় সেই ভয়েই আছি। সুপার সাইক্লোন সিডরের সময় এ দ্বীপে প্রাণ হাড়িয়ে ছিলেন ৫০জন মানুষ। ভেসে গিয়েছিল লক্ষাধিক গৃহপালিত পশু। গৃহহারা হয়েছিলেন সহস্রাধিক পরিবার। এ সকল পরিবার এখন ঘুরে দাঁড়ালেও ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারনে আবার হারানোর ভয়ে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।

এমনটিই বলছিলেন উপকূলীয় পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চরবেষ্টিত ইউনিয়ন চন্দ্রদ্বীপের দক্ষিণ চর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আহসান কবীর।

তার ভাষ্য মতে, এ ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ জেলে ও কৃষি নির্ভর জীবিকা নির্বাহ করেন। শিক্ষার আলোয় সম্প্রতি কিছু পরিবারে সচেতনতা এলেও অধিকাংশ মানুষের এখনও হয়নি আবহাওয়া সম্পর্কে সঠিক সচেতনতা। তবে সরকারের এবারের যে সকল প্রস্তুতি রয়েছে মানুষ যদি সকল নির্দেশনা পালন করে তাহলে বিগত বছরের মতন কোন ক্ষয় ক্ষতির সমুক্ষিন হতে হবে না চরাঞ্চলের মানুষের।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার মুল ভুখন্ড থেকে প্রমত্তা তেতুঁলিয়া নদী বেষ্টিত বিচ্ছিন্ন ছোট বড় ১৮টি চর নিয়ে গঠিত চন্দ্র দ্বীপ ইউনিয়ন। উপজেলার নদী তীরবর্তী অন্য সকল ইউনিয়ন থেকে এ ইউনিয়নটি দুর্যোগকালীন সময়ে সব থেকে বেশি ঝুকিপূর্ণ। ঘুর্ণিঝড় ফণীর মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন থেকে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। ইউনিয়ন পর্যায়ে সার্বিক খোঁজ খবর নিতে স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি ও সচিবদের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। লোকজনদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে স্পিডবোর্ডসহ নৌযান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সার্বক্ষনিক খোঁজ খবর নিচ্ছেন ঝুকিপূর্ণ এলাকার মানুষের। চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে গিয়ে জনগনকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিজুশ চন্দ্র দে বলেন, ঘর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় আমার প্রস্তুত। সকল প্রকার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর সজাগ রয়েছে। চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।