🕓 সংবাদ শিরোনাম

রোজিনার সঙ্গে যারা অন্যায় করেছে, তাঁদের জেলে পাঠান: ডা. জাফরুল্লাহকেরানীগঞ্জে ফ্ল্যাট থেকে যুবতীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারপাটগ্রাম সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে নারী ও শিশুসহ ২৪জন আটকসাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায়: ভিপি নুরসাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: হানিফআর এমন ভুল হবে না: নোবেলস্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে থানায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকেরাইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাস্তায় ঢাবি শিক্ষক সমিতিযমুনা নদীতে ডুবে তিন কলেজ ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু‘বাংলাদেশে সাংবাদিকতাকে তথ্য চুরি বলা হচ্ছে, এর চেয়ে দুঃখ আর নেই’

  • আজ বুধবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৯ মে, ২০২১ ৷

পাকা বোরো ধানের ক্ষতির শঙ্কায় গোপালগঞ্জের কৃষকরা


❏ শুক্রবার, মে ৩, ২০১৯ ঢাকা, দেশের খবর

এইচ এম মেহেদী হাসানাত, ষ্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ- মাঠের পর মাঠ ছেয়ে আছে পাকা বোরো ধান। প্রায় ৭০ ভাগ জমির বোরো ধান পাক ধরেছে। জমিতে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই শুরু হবে পুরো দমে ধান কাটা ও মাড়াই উৎসব। কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল ঘরে তোলা নিয়ে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে ব্যস্ততা।

তবে প্রবলবেগে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’। প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের ওড়িশা উপকূলে আঘাত হেনে কলকাতার ওপর দিয়ে বাংলাদেশের দিকে ধাবিত হতে পারে। এমন আশংকায় গোপালগঞ্জের বোরো চাষিদের কপালে পড়েছে দুশ্চিন্তার ভাজ।

সারাদিন প্রচন্ড গরম শেষে শুক্রবার দুপুর থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এতে গোপালগঞ্জের ৫ উপজেলার কৃষকদের আতংক আরো বেড়ে গেছে। এমন অবস্থায় ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানলে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকর।

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বোরো মৌসুমে জেলার ৫ উপজেলার ৬৮ টি ইউনিয় ও ৪ টি পৌরসভায় ৭৭ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে।

কোটালীপাড়া উপজেলার কুরপালা গ্রামের কৃষক সাহাদাত তসেন বলেন, ‘আমার ৫ বিঘা জমির পুরো ধান পেকে গেছে। কিন্তু কৃষানের অভাবে ঘূর্ণিঝড়ের আগে কাটতে পারছি না। ধান নিয়ে চরম আতংকে আছি, জানি না কি হবে। সব আল্লার উপর ছেড়ে দিয়েছি।’

কাশিয়ানী উপজেলার জোতকুরা গ্রামের কৃষক মো. মোসলেম মোল্যা বলেন, ‘দশ জন ধান কাটা কৃষাণ নিয়েছি। আকাশে মেঘ দেখা যাচ্ছে এবং গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হচ্ছে। আল্লাহই জানে ধান ঠিকমতো ধান কাটতে পারবো কি না। শুনেছি সিডরের চেয়েও ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় হবে। তাই পাকা ধান নিয়ে চিন্তায় আছি।’

গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারেণের ভারপ্রাপ্ত ডিডি কৃষিবিদ হরলাল মধু বলেন, ইতোমধ্যে এ জেলার ৫০ ভাগ ধান কাটা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে ৮০ ভাগ পাকা বোরো ধান কাটতে এবং ভুট্টা, চীনা বাদামসহ পরিপক্ক সব ফসল ঘরে তুলতে কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছি। দ্রুত ধান কেটে নিতে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা করা হয়েছে। আমরা জেলার সকল ইউনিয়ন উপকৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষকদের বিষয়টি জানিয়েছি।