• আজ ২৬শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সময়ের আগে আছড়ে পড়ে কি গতিপথ বদলেছে ঘূর্ণিঝড় ফণী?

❏ শুক্রবার, মে ৩, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- ঘূর্ণিঝড় ফণী এবার ঢুকে পড়েছে স্থলভাগে। ভারতের পূর্ব উপকূলের স্থলভাগে এদিন সকাল সকাল আছড়ে পড়েছে। পুরীতে ফণী আছড়ে পড়ার পরই শুরু হয়েছে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি।

এদিকে একদিকে অন্ধ্রপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা, অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে গেছে। এই অবস্থায় আগামী দু’দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এদিন বেলা গড়ালে ফণীর উপকূলে আছড়ে পড়ার কথা থাকলেও ভোর থেকে গতি বাড়িয়ে সকাল ৮টা নাগাদ ঘূর্ণিঝড় ওড়িশার পুরীতে আছড়ে পড়ে। যার ফলে পুরী, ভুবনেশ্বর সহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সমুদ্র ফুলে-ফেঁপে উঠেছে।

এই অবস্থায় অনেকেই মনে প্রশ্ন জেগেছে কী হতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় ফণীর? এদিকে সরকারি সূত্র জানিয়েছে, সময়ের আগে চলে এলেও আপাতত ঘূর্ণিঝড় ফণীর গতিপথের বদল হচ্ছে না। পুরী, ভুবনেশ্বর হয়ে তা এগিয়ে চলেছে বালাসোরের দিকে। পুরীতে ২০০ কিমি বেগে আছড়ে পড়েছে ফণী। বালাসোরে সেই গতি হবে ১৫৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা।

এরপরে কলকাতায় যখন ফণী পৌঁছবে তখন গতি থাকবে ঘণ্টায় ১৫৫ কিমি। যার ফলে কলকাতায়ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা পুরোদমে রয়েছে। কলকাতায় শুক্রবার বিকালে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবের ভবিষ্যদ্বাণী রয়েছে।

এরপরে তা এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের দিকে। আবহাওয়া অধিদফতরের সবশেষ আপডেটে জানানো হয়, বাংলাদেশের খুলনা এলাকায় সন্ধ্যা ছয়টা নাগাদ ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাত করতে পারে। এসময় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার। এটি অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়েছে। ঝড়ের সময় বাতাসের সর্বনিম্ন গতিবেগ থাকবে ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার।

আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের সামনে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় ফণী এখন মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৪৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে।