🕓 সংবাদ শিরোনাম

চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২৫, মৃত্যু ৪সুনামগঞ্জে বিদ্যুতায়িত হয়ে মা ও ছেলেসহ ৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুসৌদি আসতে দিতে হবে করোনা ভ্যাকসিন, নয়তো থাকতে হবে কোয়ারেন্টিনেএখনো ঈদ করতে বাড়ী আসছে দক্ষিনঅঞ্চলের ২১জেলার হাজার হাজার মানুষকরোনার হটস্পট কেরানীগঞ্জ, ঈদে ছাপ নেই স্বাস্থ্য বিধিরবস্তার দোকানে মাদকের ব্যবসা, দুই জন আটকডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি গ্রেপ্তারভারত থেকে চট্টগ্রামে আসা ৪ জনের করোনা শনাক্ত ত্রিশালে পণ্য বিপনন মনিটরিং কমিটির মতবিনিময় সভাপটুয়াখালীতে গৃহবধুর মৃতদেহ উদ্ধার, স্বামী গ্রেপ্তার

  • আজ রবিবার, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৬ মে, ২০২১ ৷

এখনও ভারতেই আছে ‘ফণী’, মধ্যরাতে আঘাত হানতে পারে খুলনায়

foni
❏ শুক্রবার, মে ৩, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর :: শুক্রবার বিকেল ৩টা নাগাদ ভারতের উড়িশ্যা উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ফণী। এখনও ভারতেই আছে ঝড়টি, এরপর ঘূর্ণিঝড় এগিয়ে আসছে বাংলাদেশের দিকে। ইতোমধ্যে তার প্রভাবও শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। ঢাকায় আবহাওয়া অধিদফতর ও দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের গতি-প্রকৃতি নিয়ে আপডেট জানানো হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ শুক্রবার মধ্যরাত নাগাদ খুলনা ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আঘাত হানতে পারে। অবশ্য এর আগেই প্রলয়কারী এই ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াবহতা শুরু হয়েছে খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রা অঞ্চলে। শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার পর আকাশ কালো হয়ে ঝড় বইতে শুরু করে। ফণীতে যে কয়টি জনপদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, এর মধ্যে কয়রা একটি।

আবহাওয়া দফতর ধারণা করছে, বাংলাদেশ সীমায় পৌঁছানোর সময় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার। তেমনটা হলে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপেই বাংলাদেশে আঘাত করবে ফণী। তবে আরও ক্ষীণ হয়ে সর্বনিম্ন ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার গতিবেগ নিয়েও বাংলাদেশে ঢুকতে পারে ঝড়টি।

জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড় ফণী বাংলাদেশে খুলনা, সাতক্ষীরা অংশ দিয়ে ঢুকে রাজশাহী, রংপুর হয়ে বাংলাদেশ অতিক্রম করবে।

এছাড়া ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

পাশপাশি মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরদ্বয়কে সাত (পুনঃ) সাত নম্বর বিপদ সংকেত, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ছয় (পুনঃ) ছয় নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে চার (পুনঃ) চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।