শনিবার সকাল ৯টার মধ্যে বাংলাদেশে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’

⏱ | শনিবার, মে ৪, ২০১৯ 📁 জাতীয়
foni

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ শুক্রবার (৩ মে) মধ্যরাতের পর বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জারি করা বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শনিবার (৪ মে)ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র মূল অংশ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। সকাল নাগাদ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় দিক দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে ভারতের উপকূলীয় উড়িষ্যা, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে ফণী।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বর্তমান স্থান থেকে স্থলভাগের ওপর দিয়ে আরও উত্তর ও উত্তর-পূর্বদিকে সরে বাংলাদেশ অংশে পৌঁছাবে ফণী। সর্বোচ্চ গতিবেগ কমে ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার হয়েছে যা দমকা ও ঝড়ো হাওয়া আকারে সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।

শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত ফণীর কেন্দ্র থেকে ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার। এই বাতাস দমকা ও ঝড়ো হাওয়া আকারে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগ সম্পন্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা ছিল।

মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোতে ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।

এক সময় মধ্যরাতে বাংলাদেশে আঘাত হানার কথা বলা হলেও ভারতের পুরী থেকে কিছুটা দিক পরিবর্তন করে স্থলপথে খড়গপুর দিয়ে ঢোকায় এগোতে সময় লাগছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টায় এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে আবাহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে খুলনা ও তৎসংলগ্ন অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশে আঘাত হানবে ফণী। এদিকে ভোর হওয়ার আগেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করবে দেশটিতে গত দুই দশকের মধ্যে আসা সবচেয়ে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ফণী।