সাধারণ ঝড়ে পরিণত হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে ঘূর্ণিঝড় ফণী

⏱ | শনিবার, মে ৪, ২০১৯ 📁 ফিচার

সময়ের কণ্ঠস্বর- আগের চেয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’। গতকাল শুক্রবার বিকালের দিকে এর বাতাসের গতিবেগ যেখানে ছিল ১৬০ থেকে ১৮০ কিলোমিটার, সেখানে রাত ১০ টায় সেটির বাতাসের গতিবেগ হয় ১০০ থেকে ১২০ কিলোমিটার। ভোর ৩টায় গতি আরও কমে হয়েছে ৯০ থেকে১০০ কিলোমিটার। সকাল ৭টায় এটি আরও কম গতিবেগে এগুচ্ছে। ফলে ‘ফণী’ এখন একটি সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে।

এদিকে যশোর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, আজ ভোর সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে ফণী যশোর অতিক্রম করেছে। বর্তমানে তা রাজবাড়ীতে অবস্থান করছে। সেটি এখন গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এ মুহূর্তে যশোরে ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে। জেলার সর্বত্র হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এটি আরও দুই তিন ঘণ্টা চলবে। তারপর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল ইসলাম জানান, গতকাল শুক্রবার দুপুর ১টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের গতি স্বাভাবিক রয়েছে। এখনো ক্রমাগত স্বাভাবিক ধারায় বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

শনিবার (৪ মে) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আবহাওয়া অধিদফতরের সবশেষ ব্রিফিংয়ে পরিচালক সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, ঘূর্ণিঝড় ফণী উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে আরও অগ্রসর হয়ে মেহেরপুর, আলম ডাঙ্গা ও ভেড়ামারাসহ পাশ্ববর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। এটি ঘণ্টায় ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার গতিতে এগুচ্ছে। আরও ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা অতিক্রম করে রাজশাহী ও সিলেটের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হবে ফণী। এসব এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার বেগে বইছে। ঘূর্ণিঝড়টি ৫৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থান করছে।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি দূর্বল হয়ে পড়ায় আগের মত প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি আর নেই। আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হলেই আশ্রয়কেন্দ্রে আসা মানুষরা আবার তাদের ঘরে ফিরতে পারবেন।

সামছুদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, ফণীর প্রভাবে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে সিলেট ও ময়মনসিংহে। সকালে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চাঁদপুরে-১২৭ মিলিমিটার।