পিছু হটলেন ব্রুনাইয়ের সুলতান!


❏ সোমবার, মে ৬, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: সমকামিতার শাস্তি পাথর ছুড়ে মৃত্যুদন্ডের আইন চালু করেছিল ব্রুনাই। কিন্তু সেখান থেকে সরে এসেছে তারা। মাত্র এক মাস আগে তারা এ শাস্তি নির্ধারণ করে। এ নিয়ে তখন ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় দেশটি ও বিশ্বজুড়ে। আগে থেকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই ছোট্ট দেশটিতে সমকামিতা নিষিদ্ধ ছিল। আর এর শাস্তি ছিল ১০ বছরের কারাদন্ড।

রোববার দেশটির সুলতান হাসান আল বলকিয়া নতুন আইন থেকে সরে আসার ঘোষণা দেন। ১৯৫৭ সালের পর ব্রুনাইয়ে কোনও মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়নি।

গত মাসে দেশটির ইসলামি আইন বা শরিয়ার কঠোর বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়া হয়। এক বক্তৃতায় সুলতান বলেন, শরিয়া পেনাল কোড অর্ডার বা এসপিসিওর বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং এ বিষয়ে তিনি সচেতন। এখন এসপিসিওর ওপর স্থগিতাদেশ দেয়ার সময়েও তিনি নতুন আইনের পক্ষে কথা বলেছেন। এখানে লক্ষ্যণীয় ব্রুনাইয়ে নিজেদের করা আইনের বিষয়ে এবারই প্রথম কথা বললেন দেশটির শাসক।

ব্রুনাই একটি মুসলিম প্রধান দেশ। এখানে জনসংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লাখ। এর মধ্যে দুই তৃতীয়াংশই মুসলিম। দেশটিতে ২০১৪ সালে প্রথম শরিয়া আইনের বাস্তবায়ন হয়। যদিও তখন সাধারণ আইন ও শরিয়া আইন দুটোই চালু থাকার কথা বলা হয়েছে।

প্রথম দফায় কিছু অপরাধের জন্য জেল জরিমানার বিধানের ঘোষণা দেয়া হয়। এরপর গতমাসে দ্বিতীয় ধাপে ঘোষণা করা হয় যে, সমকামিতার শাস্তি হবে পাথর ছুঁড়ে মৃত্যু।

আইনে আরও যা আছে:
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) কে অবমাননা, ভেজাল মেশানো, ধর্ষণসহ কিছু অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড। সমকামি নারীদের জন্য ৪০টি বেত্রাঘাত বা দশ বছর জেল। চুরির শাস্তি হাত কেটে ফেলা। ১৮ বছরের কম বয়সীদের জন্য ইসলাম ছাড়া অন্য কিছু শেখাতে প্রভাবিত করার জন্য জেল জরিমানা।