• আজ রবিবার, ১৭ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ১ আগস্ট, ২০২১ ৷

সবার দোয়া চাইলেন সাঈদ খোকন, আতিক বললেন ‘অভিজ্ঞতা নেই’


❏ বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার জন্য ‘অভিজ্ঞতার ঘাটতির’ কথা বললেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত একটি রোগীর মৃত্যুও কাম্য নয়। আমরা চেষ্টা করছি, ভুল তো হতেই পারে। শিখতে গেলে ভুল হবে। তবে এক সময় তো ঠিক হবে। আমার সততার কোনও অভাব নেই। তবে অভিজ্ঞতার অভাব আছে।

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করছে দাবি করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। আগামী সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে ডেঙ্গু পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে এসময় নগরবাসীকে আশ্বস্ত করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ঢাকার দুই মেয়র এসব কথা বলেন।

এ সময় দুই মেয়র ছাড়াও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকসহ বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র আতিক বলেন, ডেঙ্গু কোনো সিজনাল রোগ নয়। এটি বছরের যে কোনো সময়েই হতে পারে। কাজেই বছরের ৩৬৫ দিনই আমাদের এ রোগ নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। ডেঙ্গু মশা নিয়ে একটি রিসার্চ সেন্টার করা যেতে পারে।

মেয়র বলেন, এখন যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মশার ওষুধ আমদানি করতে পারে। এতে কোনো বিধিনিষেধ নেই। আগে এটা ছিলো না। কেউ চাইলেই মশার ওষুধ আমদানি করতে পারতেন না। তিনি বলেন, এর আগে একটি প্রতিষ্ঠান বিপুল পরিমাণ মশার ওষুধ আমদানি করেছে। তাদের ওষুধে মশা মরছে না। এ কারণে আমরা তাদের ওষুধ নিষিদ্ধ করেছি এবং ওই প্রতিষ্ঠানটিকে ব্ল্যাকলিস্টেড করা হয়েছে। পরবর্তী ওষুধ শিগগিরই আসছে।

আতিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আমরা ইতিমধ্যেই ১৪ হাজার মশারি বিতরণ করেছি। আরো ১৬ হাজার মশারি প্রস্তুত রেখেছি। আমরা চেষ্টা করছি যাতে একজন নাগরিকও ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ না করে।

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, কলকাতা সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে যিনি কাজ করেছেন, সেই বিশেষজ্ঞের সঙ্গে তার ফোনে কথা হয়েছে। ইতোমধ্যে তাকে আমন্ত্রণত্রও পাঠানো হয়েছে।

“সে কথা দিয়েছে যে, আগামী রোববার এখানে আসবে। আমি অনিক ঘোষকে বলেছি, তোমাদের যা যা এক্সপেরিয়েন্স আছে, সবাইকে নিয়ে .. অন বিহাফ অব… আমি দায়িত্ব নিচ্ছি।”

এসময় সাঈদ খোকন বলেন, ‘আমি আপনাদের নিশ্চিত করে বলতে চাই, হাজারও দুঃসংবাদের মধ্যেও একটি সুসংবাদও আছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পুরোনো ৫৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১টি ওয়ার্ড পুরোপুরি ডেঙ্গুমুক্ত হয়েছে।’

১১টি ওয়ার্ডের নাম জানতে চাইলে মেয়র ১০টি ওয়ার্ডের নাম জানান। এ ১০টি ওয়ার্ড হচ্ছে ১৪, ১৮, ২২, ২৩, ২৬, ৩৫, ৪২, ৫৩, ৫৫ ও ৫৬।

কিসের ভিত্তিতে এ ওয়ার্ডগুলোকে ডেঙ্গুমুক্ত ঘোষণা করা হলো জানতে চাইলে সাঈদ খোকন বলেন, ‘বিভিন্ন সংস্থার মতামতের ভিত্তিতে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। এসব ওয়ার্ড এখন সম্পূর্ণ ডেঙ্গুমুক্ত।’

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন