• আজ সোমবার, ১৮ শ্রাবণ, ১৪২৮ ৷ ২ আগস্ট, ২০২১ ৷

বাউফলে নবজাতক কোলে নিয়ে স্ত্রীর মর্যাদার আকুতি কিশোরীর


❏ রবিবার, আগস্ট ৪, ২০১৯ দেশের খবর, বরিশাল

কৃষ্ণ কর্মকার, বাউফল প্রতিনিধি- বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মাসের পর মাস দৈহিক সম্পর্ক। এক পর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয় কিশোরী। বিয়ে করার কথা বললে বিভিন্ন অজুহাতে টালবাহানা করতে থাকে যুবক। এরমধ্যে কিশোরী কন্যা সন্তান জন্ম দিলে সন্তানের পিতৃ পরিচয় দিতে অস্বীকার করেন যুবক। কিশোরী কোন উপায় না পেয়ে গতকাল শনিবার ওই সন্তান নিয়ে হাজির হন পটুয়াখালীর বাউফল থানায়।

কিশোরির নাম নাজমিন আক্তার (১৭)। বাউফলের পাশ্ববর্তী দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের আবুল কালামের মেয়ে। অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির মৃধা (২৪)। মনির উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার কালাম মৃধার ছেলে।

নাজমিন আক্তার জানান, এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার পর সংসারের হাল ধরতে নারায়নগঞ্জের জননী গার্মেন্সে চাকরি নেয়। তার আপন খালাতো ভাই সম্পর্কে মনির মৃধা তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিনিয়ত দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এর ফলে নাজমিন অন্তঃস্বত্তা হলে মনিরকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। মনির কালক্ষেপণ করতে থাকেন। এমনকি অন্তঃস্বত্তা অবস্থায়ও মনির নাজমিনের সাথে দৈহিক সম্পর্ক বজায় রাখে বলে নাজমিন অভিযোগ করেন।

এক পর্যায়ে গত ৩০ জুলাই নাজমিনের একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। নাজমিন বিয়ে করে তাকে স্ত্রীর সম্মান এবং নবজাতকের পিতৃ পরিচয় দেওয়ার জন্য মনিরকে আবারো চাপ দেয়। এক পর্যায়ে তাকে মনির বিয়ে করবে না ও সন্তানেরও পরিচয় দেবে না বলে জানিয়ে দেয়।

এরপর কিশোরী নাজমিন স্ত্রীর সম্মান এবং সন্তানের পিতৃ পরিচয় পেতে বাউফল উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম.ফয়সাল আহম্মেদের শরনাপন্ন হয়। চেয়ারম্যান ওই কিশোরীকে নিয়ে বাউফল থানা পুলিশের দারস্থ হলে কিশোরী একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মনির মৃধার মুঠোফোনে বারবার ফোন দেওয়া হলেও সে ফোন রিসিভ করেনি।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আমি জেলা সদরে আছি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন