সংবাদ শিরোনাম

আ.লীগকে জেতাতে উঠেপড়ে লেগেছে প্রশাসন: ডা. শাহাদাতশাবিতে সুমন হত্যা: ছাত্রলীগের ২৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চার্জশিটচুয়াডাঙ্গায় টাকা আত্মসাত মামলায় ইউপি চেয়ারম্যানের দু’বছরের জেল, ১০ লাখ টাকা অর্থদন্ডভোটারের দেখা নেই; কেন্দ্রের বাইরে দলীয় নেতাকর্মীর জটলাচট্টগ্রামে ভোট শুরু দুই ঘন্টার মাথায় দুই খুনঈশ্বরগঞ্জে মেয়র প্রার্থীসহ আ’লীগের তিন নেতা বহিস্কারকক্সবাজারে হোটেল জোনে চিকিৎসাসেবার আড়ালে জমজমাট ‘মাদক ব্যবসা’!এজেন্টদের মারধর, দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষবিএনপির পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না : ডা. শাহাদাতভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিলেন কমলা হ্যারিস

  • আজ ১৩ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

রেলওয়ের প্রকল্পে ক্লিনারের বেতন ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা!

◷ ৪:১৫ অপরাহ্ন ৷ বুধবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ
rail

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ রেলওয়ের কারিগরি প্রকল্পে ক্নিনারের বেতন ধরা হয়েছে মাসে চার লাখ বিশ হাজার। এ ছাড়া অফিস সহায়কের বেতন ধরা হয়েছে ৮৪ হাজার টাকা। রেল মন্ত্রণালয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো প্রকল্প প্রস্তাবনায় এমন বেতনের কথা বলা হয়েছে। আর এই প্রস্তাবকে ‘অস্বাভাবিক ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছে পরিকল্পনা কমিশন। তবে রেল মন্ত্রণালয় দাবি করছে, প্রস্তাবনায় ভুল হয়েছে।

রেল খাতকে ঢেলে সাজাতে বিভিন্ন সময় নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। তারপরেও লোকসানের বৃত্তেই ঘুরপাক খাচ্ছে, সেবাদানকারী এই প্রতিষ্ঠানটি। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ণে আবারও ২৫৬ কোটি টাকার কারিগরি সহায়তা প্রকল্প হাতে নিয়েছে রেল মন্ত্রণালয়। এর আওতায় বাস্তবায়ন করা হবে ১১টি উপ-প্রকল্প।

সম্প্রতি প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। প্রকল্প মুল্যায়ণ কমিটি, বেতন-ভাতা নির্ধারণে বড় ধরণের অনিয়ম পায়। এরপরই ফেরত পাঠানো হয় রেল মন্ত্রণালয়ে।

পরিকল্পনা কমিশনের কার্যপত্রে দেখা যায়, প্রকল্পে ক্লিনারের বেতন ধরা হয় মাসে ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। আর অফিস সহায়কের বেতন প্রতি মাসে ৮৩ হাজার ৯৫০ টাকা। বিদেশী পরামর্শকদের বেতন মাসে গড়ে ১৬ থেকে ২৫ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। এই প্রস্তাবনাকে ‘গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে মন্তব্য করেছে, পরিকল্পনা কমিশন।

এখন এই বেতন-ভাতা নির্ধারণকে নিছক ভুল বলে দাবি করছে রেল মন্ত্রণালয়; বলছে, এটি সংশোধন করা হচ্ছে।

এই বেতন নির্ধারণের প্রস্তাবে অবাক হয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি জানান, দুর্নীতি বন্ধে প্রকল্প অনুমোদনের আগে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হয়। প্রকল্পের নামে যারা অনিয়ম করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।