সংবাদ শিরোনাম
৭২ ঘণ্টার মধ্যে আতিকুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ | ‘কেউ একজন আমাকে ঘৃণা করে’ আত্মহত্যার আগে কিশোরের ফেসবুক পোস্ট | ‘শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণিতে কোটা বাতিল জাতির সঙ্গে প্রতারণা’- ভিপি নুর | ইসরাইলের বিপক্ষে খুতবা দেয়ায় আল আকসার খতিব বরখাস্ত | ‘দেশের গণমাধ্যম অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করছে’- তথ্যমন্ত্রী | সংসদে বানরের জন্য অর্থ বরাদ্দ চাইলেন শাজাহান খান | মোদি সরকারের বিরুদ্ধে কলকাতায় ৩ দিনের গণ-অবস্থান কর্মসূচি | লিবিয়ায় যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় একমত বিশ্বনেতারা | ইরান ইস্যুতে মার্কিন নীতির নিন্দা জানালো জার্মানি | স্কুল সভাপতির নির্দেশে শেরপুরে কোচিং বাণিজ্য জমজমাট |
  • আজ ৮ই মাঘ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

আমরা যদি প্রতিহিংসায় বিশ্বাসী হতাম তাহলে বিএনপির অস্তিত্ব থাকত না: প্রধানমন্ত্রী

৮:২৬ অপরাহ্ণ | বুধবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কন্ঠস্বর ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। আমরা যদি তাই বিশ্বাস করতাম তাহলে এ দেশে বিএনপির অস্তিত্ব থাকত না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করার জন্য নয়, সব প্রতিষ্ঠানকে আরও সক্রিয় রাখার জন্য আমি সদা-সর্বদা সচেষ্ট থাকি। তা না হলে সংসদ সদস্যের নেত্রী খালেদা জিয়ার মতো বারোটা পর্যন্ত ঘুমিয়ে কাটালে কি প্রশ্ন করে খুশি হতেন?

বুধবার জাতীয় সংসদে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুগ্রহ করে বলবেন কী, দেশে বর্তমানে মানুষ হত্যা হতে মশা মারা পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা প্রয়োজন হয়, যাহা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাঙ্গিয়া পড়া, অকার্যকর হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে। প্রাতিষ্ঠানিক সফলতা একটি কার্যকর রাষ্ট্রের পূর্বশর্ত। এই অকার্যকর প্রতিষ্ঠানগুলো কি রাষ্ট্রপরিচালনায় সরকারের সার্বিক ব্যর্থতা চিত্র তুলে ধরে না?’

জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সরকারপ্রধানের দায়িত্ব হলো- সব মন্ত্রণালয়ের কাজের সমন্বয় করা। মন্ত্রীদের কাজের তদারকি করা। জনগণ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য। আরাম-আয়েশের জন্য আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণ করিনি।

আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। যিনি তার জীবনটায় উৎসর্গ করেছিলেন এই দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য। তার কন্যা হিসেবে জনগণের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা একটা আলাদা জায়গা রয়েছে। আমি সেটাই প্রতিপালনের চেষ্টা করি। সে জন্যই দিনরাত পরিশ্রম করি। কোনো প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করার জন্য নয়, সব প্রতিষ্ঠানকে আরও সক্রিয় রাখার জন্য আমি সদা-সর্বদা সচেষ্ট থাকি’।

Loading...