সংবাদ শিরোনাম
‘অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু আমাদের কারও কাম্য নয়’- অনন্ত জলিল | ‘এই আওয়ামী লীগ মুজিব-সোহরাওয়ার্দী-ভাসানীর আওয়ামী লীগ নয়’ | ‘ছাত্রলীগ সারাদেশেই হামলা চালাচ্ছে’- ভিপি নুর | ‘সরকারবিরোধী হলে ৩০ ডিসেম্বরের পরই রাস্তায় নামতাম’- ভিপি নুর | ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন ‍দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর | জামায়াতে ইসলামীর নতুন আমীর ‘ডা. শফিকুর রহমান’ | ‘শেখ হাসিনাকে কটাক্ষ করলে জনগণ কাউকে ক্ষমা করবে না’- কাদের | ‘খালেদা জিয়ার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে’- ফখরুল | এবার ওয়ানডে র‌্যাংকিং থেকেও সাকিবের নাম মুছে দিল আইসিসি | ‘সরকারের ব্যর্থতার কারণেই একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে’- ফখরুল |
  • আজ ২৮শে কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

সুস্থ থাকতে হাঁটা কতটা জরুরি?

৯:২০ অপরাহ্ণ | বুধবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল ডেস্ক- নানা কারণে আজকাল নিয়মিত ব্যায়াম করা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। কিন্তু সুস্থ থাকতে কিছুটা হলেও শারীরিক পরিশ্রম করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁটা এমন একটা উপায়, যার মাধ্যমে কষ্টসাধ্য পরিশ্রম ছাড়াও সহজেই সুস্থ থাকা যায়।

তবে কোন সময়ে হাঁটা শরীরের জন্য উপকারী তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় থাকেন। চিকিৎসকদের মতে, যেকোনো সময়েই হাঁটা যেতে পারে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যখনই সময় পাবেন তখনই হাঁটতে পারেন। তারপরও হাঁটার জন্য সূর্যাস্তের আগের সময় অর্থাৎ বিকালকে সবচেয়ে উপযোগী বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

অনেকেই ঘুম থেকে উঠেই সকালে হাঁটতে বের হন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুম থেকে উঠেই হাঁটতে যাওয়া ঠিক না। ঘুম থেকে ওঠার কমপক্ষে ৩০ মিনিট পর হাঁটতে বের হওয়া উচিত।

তাদের মতে, শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটা উচিত। তবে প্রতিদিন না-ও হাঁটলেও চলে। পাঁচ দিন ৩০ মিনিট করে ১৫০ মিনিট হাঁটলেও সুস্থ থাকা যায়। তাদের ভাষায়, একজন মানুষের সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটা জরুরি।

শারীরিক অবস্থা ভালো থাকলে আরও বেশি সময় ধরে হাঁটা যেতে পারে। তবে কখনোই ৩০ মিনিটের কম হাঁটা উচিত নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একবারে ৩০ মিনিট হাঁটার শারীরিক ক্ষমতা না থাকলে তিনবার ১০ মিনিট করে ৩০ মিনিট হাঁটতে পারেন। অথবা একবার ২০ মিনিট, অন্যবার ১০ মিনিট করে মোট ৩০ মিনিট হাঁটা যেতে পারে।

হাঁটলে নানা ধরনের শারীরিক উপকার পাওয়া যায়। যেমন-

১। ভালো ঘুম হয়।

২। হাড় ও পেশি মজবুত হয়।

৩.। ১৫ মিনিট হাঁটলে ৫৬ ক্যালোরি শক্তি খরচ হয়, ওজন কমে।

৪। সৃজনশীল চিন্তা করতে সাহায্য করে।

৫। মানসিক চাপ, উদ্বেগ, ও টেনশন দূর হয়।

৬। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

৭। ধমনির চাপ কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা যায়।

Loading...