সংবাদ শিরোনাম
নরসিংদীতে প্রথমবারের মতো সর্বাধুনিক কার ওয়াশ ও সার্ভিসিং সেন্টার উদ্বোধন | রাজধানীতে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতিকালে ‘ফইন্নি গ্রুপের’ ৬ সদস্য আটক | এবার চমেক চিকিৎসকদের জন্য ‘নোবেল’ চাইলেন মেয়র নাছির | তানোরে অবৈধ এসটিসি ব্যাংক সিলগালা | ফাঁড়িতে আসামির মৃত্যু: পুলিশ-এলাকাবাসীর সংঘর্ষে আহত ৩৩, পাঁচ পুলিশ প্রত্যাহার | লালমনিরহাটে সহকারী পরিচালকের বেত্রাঘাতে স্কুলছাত্রী অজ্ঞান | সাগরে মৎস আহরণে নিষেধাজ্ঞা, ফিশারিঘাট হারিয়েছে চিরাচরিত রুপ | ‘আবরার পানি খাইতে চাইলে পানি দেওয়া হয় নাই’ | নান্দাইলে নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগ রাখায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা | মাগরিবের আজানের ২০ মিনিটের মধ্যে ছাত্রীদের হলে ঢোকার নির্দেশ! |
  • আজ ২রা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

জয় দিয়েই বিদায় নিলেন ‘মাসাকাদজা’

১০:০৭ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯ খেলা
JOYY

স্পোর্টস আপডেট ডেস্কঃ বিদায়বেলায় এমন ভাগ্য কয়জনের হয়? হ্যামিল্টন মাসাকাদজার দুর্দান্ত এক ইনিংসে ভর করেই ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজে নিজেদের শেষ ম্যাচটায় জয়ের স্বাদ পেলো জিম্বাবুয়ে। চট্টগ্রামে তারা আফগানিস্তানকে হারিয়েছে ৭ উইকেট আর ৩ বল হাতে রেখেই।

লক্ষ্য ছিল ১৫৬ রানের। আফগানিস্তানের মতো ভালো শুরু করে জিম্বাবুয়েও। হ্যামিল্টন মাসাকাদজা আর ব্রেন্ডন টেলর ওপেনিং জুটিতে ২৯ বলে তুলেন ৪০ রান। তবে ধৈর্য্য ধরে বেশিদূর এগুতে পারেননি টেলর। মুজিব উর রহমানকে তুলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন ১৭ বলে ১৯ করা এই ব্যাটসম্যান।

৪২ বলে ৭১ রানের এক ঝড়ো ইনিংস আসে মাসাকাদজার ব্যাট থেকে। যে ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছিলেন ৪টি বাউন্ডারি আর ৫টি ছক্কায়। মাসাকাদজা আউট হওয়াতে ১১০ রানে ২ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। জয়টা তখন আসলে সময়ের ব্যাপার ছিল। ৮ উইকেট হাতে নিয়ে ৪৩ বলে দরকার ছিল ৪৬ রান।

এরপর ৩২ বলে ৩৯ করে রেগিস চাকাভা আউট হয়েছেন। আর মুতুমবদজিকে সঙ্গে নিয়ে শন উইলিয়ামস (২৩ বলে অপরাজিত ২১) তুলির শেষ আঁচড়টা দিয়েছেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে আফগানিস্তান। দুই ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই আর রহমানউল্লাহ গুরবাজ ৫৭ বলে গড়েন ৮৩ রানের জুটি। দশম ওভারের তৃতীয় বলে এসে এই জুটিটি ভাঙেন মুতুমবদজি, ২৪ বলে ৩১ রান করা জাজাইকে ফিরিয়ে।

১২ ওভার শেষে তাদের বোর্ডে ছিল ১ উইকেটে ১০০ রান। সেখান থেকে টানা চার ওভারে ৪টি উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে দলটি। ফলে শেষ ৮ ওভারে ৭টি উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৫ রান যোগ করতে পেরেছে আফগানিস্তান।

১৩ বলে ১৬ রান করে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন শফিকুল্লাহ। ১৩তম ওভারের শেষ বলে ক্রিস্টোফার এমপুফুকে হাঁটু গেরে মারতে গিয়ে গায়ে লেগে যায় তার। রিভিউ অবশ্য নিয়েছিলেন। তাতে কাজ হয়নি।

পরের ওভারে দারুণ খেলতে থাকা গুরবাজও উইকেট দিয়ে বসেন। স্ট্যাম্প ছেড়ে শন উইলিয়ামসকে মারতে গিয়েছিলেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। পেছন দিক দিয়ে বল ঢুকে মিডল স্ট্যাম্প উপড়ে যায়। ৪৭ বলে ৪টি করে চার ছক্কায় গুরবাজ তখন ৬১ রানে।

তার পরের দুই ওভারে আফগানরা হারায় মোহাম্মদ নবী (৪) আর নাজিবুল্লাহ জাদরানকে (৫)। এরপর আর কেউ সেভাবে ব্যাট হাতে ভয় ছড়াতে পারেননি। গুলবাদিন নাইব ৭ বলে ১০ আর রশিদ খান ৬ বলে ৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

জিম্বাবুয়ের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন ক্রিস্টোফার এমপুফু। ৪ ওভারে ৩০ রান খরচায় ৪টি উইকেট নেন এই পেসার।