সংবাদ শিরোনাম

জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন খুন!টাঙ্গাইলে রাতের অন্ধকারে অতর্কিত হামলায় কলেজ ছাত্র নিহতফেনীর সোনাগাজী পৌর মেয়রের জমির শ্রেনী পরিবর্তন করে রাজস্ব ফাঁকি‘ভারতে যারাই ক্ষমতায় এসেছে, তারাই মুসলমানদেরকে শিক্ষা থেকে দূরে রেখেছে’দাপুটে জয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশেরসাজার বদলে আদালত থেকে দেয়া হলো বই, ১০ শর্তে মুক্তি পেলো ৪৯ শিশুকুয়াকাটায় সৈকতে ডিগবাজি দিতে গিয়ে পর্যটকের মৃত্যুঠাকুরগাঁওয়ে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ডশাহজাদপুরে বসতবাড়িতে চোরাই তেলের অবৈধ গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, ৩ জন দগ্ধটাঙ্গাইলে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে যুবক গ্রেফতার

  • আজ ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নদী গর্ভে বিলীন সবকিছু, নিঃস্ব হয়ে হাজারো মানুষের দোয়া-মোনাজাত

◷ ১২:৩৬ অপরাহ্ন ৷ রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯ চট্টগ্রাম
Pic 085213255

মু.ওয়াছীঊদ্দিন, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনার ভাঙনে নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, হাট বাজারসহ সরকারি-বেসরকারি একাধিক স্থাপনা। তীব্র ভাঙনে হুমকির মুখে নদী তীরবর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, কমিউনিটি ক্লিনিক। এসব ভবনের অধিকাংশই নদীর মধ্যে পড়ে গিয়েছে। ঘরবাড়ি আর ব্যবসা বাণিজ্য হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে নদী পাড়ের হাজারো মানুষ।

ভাঙন রোধে উপজেলার লুধুয়া, ফলকন এলাকায় নদীর কূল ঘেঁষে জিও ব্যাগ টিউব ও ব্যাগ দেওয়া হয়েছে। কিন্ত নিম্মমানের ব্যাগ ব্যবহার করায় তীব্র স্রোত তাও নিয়ে যাচ্ছে নদী গর্ভে।

এদিকে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর উপজেলার লুধুয়া এলাকায় নদীপাড়ে হাজারো মানুষের অংশগ্রহনে দোয়া মুনাজাত করা হয়। এসময় স্থানীয় সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। এসব বিষয়ে প্রশাসন বলছেন স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ছাড়া ভাঙন রোধ সম্ভব নয়।

সরোজমিনে গিয়ে জানা যায়, চলতি বছরের জুলাই মাসে পানি উন্নয়ন বোর্ড একটি প্রকল্পর অনুমোদন দেয়। প্রায় চার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রকল্পটির আওতায় সেখানকার ৪’শ মিটার এলাকায় বাঁধ নির্মাণের জন্য বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। কাজটি শুরু হওয়ার পর এলাকাবাসী নতুন করে স্বপ্ন দেখে। কিন্তু গত কয়েকদিনে মেঘনার ভাঙনের তীব্রতা এলাকাবাসীর নতুন স্বপ্ন কেড়ে নিচ্ছে।

সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেনী সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শাহজাহান, লক্ষ্মীপুর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মুছা ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন। লুধুয়া এলাকা ছাড়াও চরফলকন ইউনিয়নের ৭ নম্বর, পাটারীরহাট ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় মেঘনার তীব্র ভাঙন চলছে। গত দুই সপ্তাহে ওইসব এলাকার বেশ কয়েকটি বসতবাড়িসহ বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

কমলনগর রামগতি বাঁচাও মঞ্চের আহবায়ক এডভোকেট আব্দুস সাত্তার পালোয়ান বলেন, এ অঞ্চলে ৩৭ কিলোমিটার এলাকা ভাঙছে। সেনাবাহিনীর তত্বাবধায়নে একযোগে পুরো অঞ্চলের কাজ শুরু করলে ভাঙন রক্ষা করা সম্ভব হবে। বর্তমানে জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজে ব্যাপক অনিয়ম থাকায় সেগুলো ভেঙে নদীতে চলে যাচ্ছে। একদিকে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলে অন্যদিকে ভাঙছে। শেষ পর্যন্ত জিও ব্যাগও নদীতে চলে যায়।

লক্ষ্মীপুর-৪ (কমলনগর-রামগতি) আসনের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আবদুল মান্নান বলেন, ভবনগুলো রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন। ইতোমধ্যে সেখানে আরও ১৫ হাজার জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের অনুমতি নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। খুব দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা হবে বলে তিনি।