স্নাতক ছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নয়, প্রজ্ঞাপন জারি

৩:৩৩ অপরাহ্ন | মঙ্গলবার, নভেম্বর ১২, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হতে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক ডিগ্রি। বিদ্যোৎসাহী দুই সদস্যের শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগবে এসএসসি পাস।

এমন বিধান যুক্ত করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির নতুন নীতিমালা জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার এই নীতিমালা প্রকাশ করা হলেও এতে তারিখ দেওয়া আছে ৬ নভেম্বর।

নতুন নীতিমালার ফলে এ বিষয়ে আগের সব প্রজ্ঞাপন ও আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে। এত দিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে সভাপতি হওয়ার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো শর্ত ছিল না।

নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যসংখ্যা হবে সভাপতিসহ ১১ জন। বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে তাঁরা নির্বাচিত হবেন। এঁদের মধ্যে থেকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক প্রতিনিধি বাদে অন্য সদস্যদের মধ্যে থেকে একজন সভাপতি ও একজন সহসভাপতি নির্বাচিত হবেন। তবে শর্ত হলো সভাপতিকে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। পদাধিকারবলে প্রধান শিক্ষক বা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

অভিভাবকদের মধ্যে একজন বিদ্যোৎসাহী নারী ও একজন পুরুষ সদস্য থাকবেন। এ দুজন সদস্যের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে এসএসসি পাস। তাদের মনোনীত করার ক্ষেত্রে প্রধান শিক্ষককে স্থানীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শ নিতে হবে। অভিভাবকদের মধ্য থেকে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী অভিভাবক থাকবেন। এই চারজন সদস্য নির্বাচিত করবেন অভিভাবকরা। সহকারী উপজেলা বা সহকারী থানা শিক্ষা অফিসারের নেতৃত্বে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে।

একই উপজেলার সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় এলাকার কাছাকাছি যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বা শিক্ষিকা সদস্য হিসেবে থাকবেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বা পৌর এলাকার ওয়ার্ড কমিশনার বা সিটি করপোরেশন এলাকার কাউন্সিলর সদস্য হিসেবে থাকবেন।

নীতিমালা অনুযায়ী একই ব্যক্তি পরপর দুই বারের বেশি একই বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হতে পারবেন না। কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্যসহ বিভিন্ন বিষয় বলা হয়েছে পাঁচ পৃষ্ঠার এই নীতিমালায়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত হলেও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।