• আজ বুধবার। গ্রীষ্মকাল, ৮ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২১শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। রাত ১০:২৬মিঃ

ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যা দিবস আজ

১২:৩৬ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৪, ২০১৯ দেশের খবর, বরিশাল

মো:নজরুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি: আজ ভয়াবহ ১৪ নভেম্বর। ঝালকাঠির দুই বিচারক হত্যার ১৪ বছর।২০০৫ সালের এই দিন জেএমবির বোমা হামলায় ঝালকাঠির দুই বিচারক সোহেল আহম্মেদ এবং জগন্নাথ পাঁড়ে নিহত হন। সেদিনের সেই স্মৃতি মনে করে আজও জেলাবাসী আঁতকে ওঠেন।

সেদিনের ঘটনা:
সেদিন ছিলো রোববার, সকাল ৯টা বাঁজতে তখনও ৫ মিনিট বাকি। জেলা শহরের পূর্বচাঁদকাঠি এলাকার সরকারি বাসভবন থেকে আদালতে যাওয়ার জন্য জজশীপের গাড়িতে অপেক্ষা করছিলেন ঝালকাঠি জেলা জজ আদালতের দুই সিনিয়র সহকারী জজ জগন্নাথ পাঁড়ে এবং সোহেল আহমেদ অপর আরেক বিচারক এম আউয়ালের জন্য। আর গাড়ির ড্রাইভার সুলতান যান বিচারক আউয়ালকে গাড়িতে তোলার জন্য ডাকতে।

আর সে সময় জেএমবির সুইসাইডাল ইফতেখার হাসান আল-মামুন গাড়িতে অপেক্ষামান দুই বিচারকে একটি চিরকুট পড়তে দেন। তাঁরা চিরকুট পড়তে থাকলে জেএমবির মামুন বিচারকদের গাড়িতে শক্তিশালি বোমা নিপেক্ষপ করে।

মূহুর্তেই বিকট শব্দে কম্পিত হয়ে গাড়িটি চুর্ণবিচুর্ণ হয়ে যায়। আর দুই বিচারকের শরীরে বিভিন্ন অংশ দেহ থেকে উড়ে যায়। ঘটনা স্থলেই মারা যান বিচারক জগন্নাথ পাঁড়ে বরিশাল নেয়ার পথে মারা যান বিচারক সোহেল আহমেদ।

বোমা নিক্ষেপকালে আহত হয়ে ধরা পড়ে হামলাকারী জেএমবির সুইসাইড স্কোয়ার্ডের সদস্য ইফতেখার হাসান আল মামুন।

পরে এ ঘটনায় মামলা হলে ঝালকাঠির ততকালীন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজা তারিক আহমেদ শীর্ষ জঙ্গিনেতা শায়খ আব্দর রহমান ও বাংলা ভাইসহ ৭ জঙ্গিকে ২০০৬ সালের ২৯ মে ফাঁসির আদেশ দেন। উচ্চ আদালতে সে রায় বহালের পর দেশের বিভিন্ন জেলখানায় ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ ৬ শীর্ষ জঙ্গির মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। ওই সাত জনের মধ্যে পালিয়ে থাকা জঙ্গি সদস্য আসাদুল ইসলাম ওরফে আরিফের মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়২০১৬ সালের ১৭ অক্টোবর ।

আজ শোক-শ্রদ্ধা আর ভালবাসার নানা কর্মসূচিতে ঝালকাঠিতে বিচারক হত্যা দিবস পালিত হচ্ছে।