সংবাদ শিরোনাম

শরীয়তপু‌রে পা‌রিবা‌রিক দ্ব‌ন্দে স্ত্রীর ওপর অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যামাগুরায় কৃষি পণ্য উৎপাদনে জনপ্রিয় হচ্ছে ‘চাঁদের হাট’ সমন্বিত কৃষি খামার প্রকল্পহেফাজতের যুগ্ম-মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ূবী গ্রেপ্তারকরোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে সতর্ক করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীপিরোজপুরে একমাসে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ১৮০০ জনবিমানবন্দরে অস্ত্র-গুলিসহ চিকিৎসক দম্পতি আটকটাঙ্গাইলে গৃহবধূকে রাতভর গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১নওগাঁয় যৌতুকের দাবীতে গৃহবধুকে নির্যাতন, ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে উদ্ধারনোয়াখালীর সুবর্ণচরে প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, শ্বশুর-দেবর পলাতকহেফাজত নেতা আতাউল্লাহসহ তিনজন ৫ দিনের রিমান্ডে

  • আজ বৃহস্পতিবার। গ্রীষ্মকাল, ৯ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২২শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। বিকাল ৪:১৮মিঃ

গুজবে কোটালীপাড়ায় লবণ ক্রয়ের হিড়িক

⏱ | মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯ 📁 ঢাকা, দেশের খবর

এইচ এম মেহেদী হাসানাত, স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ: ‘২শত টাকা হবে লবণের কেজি’ এমন গুজাবে কোটালীপাড়া উপজেলার ঘাঘর বাজারে লবণ ক্রয়ের হিড়িক পড়েছে। ঘাঘর বাজারের প্রায় অর্ধ শতাধিক পাইকারি ও খুচরা দোকানে লাইন দিয়ে খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের লবণ ক্রয় করতে দেখাগেছে।

দাম নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিংয়ে নামতে হয়েছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, গত সোমবার দিবাগত রাত থেকে কোটালীপাড়া উপজেলায় লবণের কেজি ২শত টাকা হবে এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

এ গুজবের কারণে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ঘাঘর বাজারে লবণের ডিলার, পাইকারি বিক্রেতা ও খচরা বিক্রেতাদের দোকানে লবণ ক্রয়ের জন্য ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়ে। দুপুর ১২টার মধ্যে ডিলার ও অনেক পাইকারির ব্যবসায়ীর গোডাউন লবণ শূণ্য হয়ে যায়। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন দামি নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য মাঠে নামে।

হঠাৎ করে এ ভাবে লবণ ক্রয়ের কারণে অনেক ডিলার বা পাইকারি ব্যবসায়ীরাও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। মধুমতি সল্টের কোটালীপাড়ার ডিলার জালাল শেখ বলেন, একটি গুজবের উপরে ভর করে জনগন হঠাৎ করে এভাবে লবণ ক্রয় শুরু করেছে। আমরা পূর্বের দামেই লবণ বিক্রি করছি। এই মূহুর্তে দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনাও নেই।

পাইকারি ব্যবসায়ী গনেশ সাহা বলেন, সকাল থেকেই আমাদের দোকানে লবণ ক্রয়ের জন্য সাধারণ জনগন ও খুচরা বিক্রেতারা ভীড় করে। দুপুর ১২টার মধ্যে আমাদের দোকানের সমস্ত লবন বিক্রি হয়ে যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলার নাগরা গ্রামের এক ভ্যান চালক বলেন, গতকাল রাতে ঢাকা থেকে আমার এক আত্মীয় ফোন করে আমাকে জানিয়েছেন লবণের কেজি ২শত টাকা হবে। তাই মঙ্গলবার সকালে এসেই ঘাঘর বাজার থেকে ১০ কেজি লবণ ক্রয় করেছি।

উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মহসিন উদ্দিন বলেন, লবণের মূল্য বৃদ্ধির গুজবের কারণে ঘাঘর বাজারে মঙ্গলবার সকাল থেকেই লবণ ক্রয়ের হিড়িক পড়ে যায়। খবর পেয়ে আমরা দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য বাজারে ছুটে আসি। প্রত্যেক ডিলারকে বলে দিয়েছি পূর্বে তারা ব্যবসায়ীদের কাছে যে পরিমান লবণ বিক্রি করতো এখন সেই পরিমান বিক্রি করতে হবে। এ ছাড়া খুচরা বিক্রেতাদেরকে ১কেজি থেকে ২ কেজির উপরে লবণ বিক্রি করতে নিষেধ করেছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মাহফুজুর রহমান বলেন, এ মূহুর্তে লবণের কোন সংকট নেই। তাই দাম বৃদ্ধির কোন সম্ভবনাও নেই। যদি কোন ডিলার বা ব্যবসায়ী বাজার মূল্যোর চেয়ে বেশি দামে লবণ বিক্রি করে তা হলে তার বিরুদ্ধে আইনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।