🕓 সংবাদ শিরোনাম

চুয়াডাঙ্গায় ৬ বছ‌রের শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতারলাথি দেওয়া সেই শিক্ষক ছেলের আইনানুগ বিচার চান বাবামানিকগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় চেয়ারম্যান গ্রেফতারহামলা ঠেকাতে প্রশাসন ব্যর্থ নাকি গাফিলতি, প্রশ্ন ইনুরগোপালগঞ্জে পিকআপ ভ্যান ও নসিমনের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত ২লিটারে ৭ টাকা বাড়ল সয়াবিন তেলের দামযুবলীগ চেয়ারম্যানের নম্বর ক্লোন করে প্রতারণা, মূলহোতাসহ গ্রেফতার ২ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি শেয়ার করায় সাংবাদিক গ্রেপ্তারহিন্দু ভাই-বোনদের ভয় নাই, পাশি আছি: ওবায়দুল কাদেরসহিংসতায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

  • আজ মঙ্গলবার, ৩ কার্তিক, ১৪২৮ ৷ ১৯ অক্টোবর, ২০২১ ৷

‘শেখ হাসিনা ও এরদোয়ানের নোবেল পাওয়া উচিত’


❏ বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শরনার্থীদের আশ্রয় দিয়ে ইতিহাস তৈরি করায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিত। আশা করা যায়, সারা বিশ্ব এ বিষয়ে একমত পোষণ করবে।

বুধবার বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ ১৫টি লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে তুরষ্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-তুরস্ক যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, তুরস্ক ৪ মিলিয়ন শরনার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে, আর বাংলাদেশ ১ মিলিয়ন রোহিঙ্গা শরনার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। পৃথিবীর অন্যতম প্রধান জনবসতিপূর্ণ একটি ছোট দেশ বাংলাদেশ। কিন্তু রোহিঙ্গা সমস্যাটির কারণে এটা এখন অনেকটাই হুমকির মুখে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের কোনো বিকল্প নেই।

এছাড়া যেকোনো উপায়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে তুরস্ককে সহায়তা করারও অনুরোধ করেন অর্থমন্ত্রী।

প্রাণভয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা নাগরিকদের বাংলাদেশে মানবিক কারণে আশ্রয় দেওয়া হলেও এখন তার উচ্চমূল্য দিতে হচ্ছে উল্লেখ করে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘কক্সবাজারসহ ওই এলাকার পুরো পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। বাড়ছে জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জও। যেসব ক্ষতি হচ্ছে তা ডলার বা টাকার অঙ্কে পরিমাপ করা সম্ভব নয়। তাই রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে, এটাই আমাদের প্রধান চাওয়া।‘

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল তুরস্কের গ্রান্ড ন্যাশনাল এসেম্বলির স্পিকার মুস্তফা সেন্তোপের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন, ‘তুরস্ক একটি অন্যতম অসাম্প্রদায়িক দেশ। যে দুটি কারণে তুরস্ক সারাবিশ্বে অত্যধিক সমাদৃত তার একটা হলো অসাম্প্রদায়িকতা আর অন্যটি হলো জঙ্গিবাদের কারণে বিশ্বের কোথাও কোনো মানুষের যেন ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে জোরালো পদক্ষেপ। বাংলাদেশের সাথে তুরস্কের এই নীতিতে অত্যন্ত সামাঞ্জস্য রয়েছে কেন না বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে।’

তুরস্কের স্পিকার মুস্তফা সেন্তোপ বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে তুরস্কের সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দূরত্ব অনেক হলেও দুই দেশের মধ্যে ধর্ম, সংস্কৃতিসহ অনেক ক্ষেত্রে সামঞ্জস্য রয়েছে। আমি আপনার এই সফরে অত্যন্ত আনন্দিত এবং আশা করছি সফরটি অত্যন্ত ফলপ্রসু হবে। রোহিঙ্গাদেরকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ সারাবিশ্বে উদারতার এক মহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আরাকানের এই মুসলিমদের ওপর যে অবিচার করা হয়েছে সেটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। তুরস্ক এই সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে।’

আপনার জেলার সর্বশেষ সংবাদ জানুন