সংবাদ শিরোনাম

ছাত্রলীগ নেতার প্যান্ট চুরির ভিডিও ভাইরাল!পাটগ্রামে ইউএনও’র উপর হামলা, আটক ৬আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ৮৩ জনেরশফী হত্যা মামলা: মামুনুল-বাবুনগরীসহ ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদনখালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সারাদেশে দোয়া কর্মসূচিরোহিঙ্গা শিবিরে ফের অগ্নিকান্ডসালথায় তান্ডব: এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের সত্যতা মিলেনিশাহজাদপুরে কৃষকদের মাঝে হারভেস্টার মেশিন বিতরণচাঁদপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিশ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা না করলে আইনি পদক্ষেপ : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

  • আজ ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ছাত্রলীগ সভাপতির নামে ব্যাংকে ফোন, যুবক গ্রেফতার

৪:৫৯ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২১, ২০১৯ আলোচিত

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্ক- বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের নাম ব্যবহার করে প্রতারণার অভিযোগে মো. বনি আমিন ওরফে সাকিব (২৯) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ।

বুধবার দারুস সালামের মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ সংলগ্ন ফুটওভার ব্রিজের নিচ থেকে সাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন ও ১৯ টি ভিজিটিং কার্ড উদ্ধার করা হয়। এসব ভিজিটিং কার্ডে সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সরকারি বাঙলা কলেজ শাখা ও রাজস্ব পরিদর্শক, ঢাকা ওয়াসা, পিপিআই রাজস্ব জোন-৩ লেখা রয়েছে।

গোয়েন্দা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের লালবাগ জোনাল টিমের এডিসি খন্দকার লেলিন জানান, আর্থিকভাবে লাভবান হতে সাকিব বিভিন্ন সময় নিজেকে ঢাকা ওয়াসার রাজস্ব পরিদর্শক ও মিরপুর বাঙলা কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি পরিচয় দিতেন।

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, সাকিব গত ৩১ অক্টোবর নিজেকে ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরিচয়ে এনসিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নিজের মুঠোফোন থেকে কল করে তাকে ব্যাংকে চাকরি দেয়ার জন্য বলেন। পরে তিনি আরেকটি মুঠোফোন থেকে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চাকরির বিষয়ে কথা বলেন এবং ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির রেফারেন্স দেন।

ডিবি পুলিশ জানায়, প্রকৃতপক্ষে প্রতারক সাকিব নিজেই নিজের চাকরির জন্য এনসিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন। এ কাজে তিনি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির নাম ব্যবহার করেন।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে ছাত্রলীগ নেতা জয় গত ১২ নভেম্বর শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন এবং বিষয়টি তিনি গোয়েন্দা বিভাগের মাধ্যমে তদন্তের আবেদন জানান।

পরিপ্রেক্ষিতে গ্রেফতার করা হয় বনি আমিন ওরফে সাকিবকে। ডিবি সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার সাকিব প্রতারণার কথা স্বীকার করেছেন।