• আজ ১লা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনী পরীক্ষায় উর্ত্তীন ফারজানার এসএসসিতে অংশ গ্রহন অনিশ্চিত!

৮:৩০ পূর্বাহ্ন | শনিবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৯ ঢাকা
Farzana

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নির্বাচনী পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়ে এসএসসি  পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এক শিক্ষার্থীর।কারণ এসএসসি ফরম পূরণের টাকা জমা দেওয়ার পর স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে জেএসসি পরীক্ষায় দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছিল সে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম ফারজানা আক্তার। সে  উপজেলার গেড়ামারা গোহাইলবাড়ী সবুজ সেনা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বহুরিয়া ইউনিয়নের চান্দুলিয়া ফজলুর রহমানের মেয়ে।

এনিয়ে গত বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছেন ফারজানা নামের ওই শিক্ষার্থী। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী মো. আবদুল মালেক।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগি ফারজানার সাথে কথা বলে জানা যায়, ২০১৭ সালে জেএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ফারজানা আক্তার। পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছে জেনে স্কুলে ৯ম শ্রেনীতে ভর্তি হয়ে যথারীতি ১০ম ও এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায়ও উত্তীর্ন হয়। কিন্তু ফরম পূরণ করতে গিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে জানতে পারে সে জেএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছিল।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক জানান, একই নামে বিদ্যালয়ে ফারজানা নামে আরেকজন শিক্ষার্থী রয়েছে। সে উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে। ওই শিক্ষার্থীর রোল নাম্বার ব্যবহার করে জেএসসিতে অকৃতকার্য হওয়া ফারজানা পরীক্ষা দেওয়ায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে জেএসসি অকৃতকার্য হয়েও কিভাবে ৯ম শ্রেনীতে ভর্তি থেকে শুরু করে এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলো তার কোন সদুত্তর দিতে পারেননি এই প্রধান শিক্ষক।

এদিকে মেয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা না করা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছে ফারজানার পরিবার। ফারজানার বাবা ফজলুর রহমান অভিযোগ করেন, আমার মেয়ে জেএসসিতে ফেল করলে তাকে ৯ম শ্রেনীতে ভর্তি করে কিভাবে? এই দুই বছর বিষয়টি তারা কি করলো? স্কুল কর্তৃপক্ষের ভুলের কারনে যদি আমার মেয়ে পরীক্ষা দিতে না পারে তবে আমি এর কঠিন বিচার চাই।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. হারুন অর-রশিদ অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।