• আজ সোমবার। গ্রীষ্মকাল, ৬ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৯শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। বিকাল ৫:২৪মিঃ

অবশেষে প্রথম স্বামীর ঘরেই ফিরে গেলেন রুমানা

৫:৪৪ অপরাহ্ন | শনিবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৯ দেশের খবর, রাজশাহী

সময়ের কণ্ঠস্বর, বগুড়া- বগুড়ার ধুনট উপজেলায় এক নববধূকে দুই যুবকের স্ত্রী দাবি করার ঘটনা অবশেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে সমাধান হয়েছে। রুমানা খাতুন লিমা (১৮) নামে ওই নববধূ তার প্রথম স্বামী কাজলের ঘরেই ফিরে গেছেন।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি গতকাল শুক্রবার রাতে মীমাংসা করে থানা হেফাজত থেকে ওই দুই যুবকসহ রুমানাকে নিজ নিজ পরিবারের সদস্যদের জিম্মায় দিয়েছে পুলিশ। এর মধ্য দিয়ে এক বউকে নিয়ে দুই স্বামীর মধ্যে মারামারির ঘটনার আবসান হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের হেউটনগর গ্রামের আফিজার রহমানের মেয়ে রুমানা খাতুন লিমা (১৮) প্রেমের সম্পর্ক থেকে প্রায় ৫ মাস আগে একই এলাকার বিলচাপড়ি গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে কাজল মিয়াকে (২২) গোপনে বিয়ে করে। কিন্ত লিমার পরিবারের লোকজন এই বিয়ের বিষয়টি জানতেন না। এছাড়া লিমাও তার বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ করেনি।

এ অবস্থায় লিমাকে তার পরিবারের লোকজন প্রায় দুই মাস আগে একই এলাকার নবিনগর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে জুয়েল রানার (২৬) সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে দেন। বিয়ের পর নববধূ লিমা স্বামী জুয়েল রানার সাথে এক মাস ঘর-সংসার করে। পরবর্তীতে লিমা বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে জুয়েল রানার সাথে সংসার করতে রাজি হয়নি। তবে লিমাকে নিজের বাড়িতে নেওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন জুয়েল রানা।

গত শুক্রবার বিকেলের দিকে লিমাকে তার প্রেমিক স্বামী কাজল মিয়ার হাত ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে বেড়াতে দেখেন জুয়েল রানা। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠে জুয়েল রানা। এসময় লিমাকে স্ত্রী দাবীদার কাজল ও জুয়েল রানার মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে লিমাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে জুয়েল রানা। এ সময় স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে স্ত্রীসহ স্বামীর দাবিদার দুই যুবককে ধরে থানায় সোপর্দ করে।

বগুড়ার ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান, মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। মেয়েটি কাজলের সাথে ঘর-সংসার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এ বিষয়টি নিয়ে তাদের পরিবারের সাথে আলোচনা করে নিজ নিজ স্বজনদের জিম্মার তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জুয়েল রানা স্ত্রীর দাবি ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে ফিরে গেছে।