• আজ রবিবার। গ্রীষ্মকাল, ৫ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। রাত ১১:১৩মিঃ

একাই লড়ছেন মুশফিক, ইনিংস পরাজয় এড়াতে দরকার আরও ৮৯ রান

৯:৫৩ অপরাহ্ন | শনিবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৯ খেলা
mus

স্পোর্টস আপডেট ডেস্কঃ প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসেও ১৩ রানে যখন ৪ জন প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যান ফিরে গেলেন সাজঘরে, তখনই দলের হাল ধরলেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম।

তার অপরাজিত ৫৯ রানের ওপর ভর করে দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ এখনও ম্যাচে টিকে আছে। সবচেয়ে বড় কথা, যখন দ্বিতীয় দিনেই ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার একটা শঙ্কা দেখা দিয়েছিল, তখন মুশফিকের ব্যাটেই ইডেন টেস্ট ম্যাচটা বাঁচিয়ে রাখলো বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের রান ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫২। ইনিংস পরাজয় এড়াতে হলে এখনও ৮৯ রান করতে হবে টাইগারদের। তৃতীয় দিন কি করতে পারে বাংলাদেশ সেটাই দেখার বিষয়।

প্রথম দিন ভারত থেমেছিল ১৭৮-৩-এ। দুই ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়ার ও রোহিত শর্মা ভরসা দিতে না পারলেও চেতেশ্বর পূজারা ও বিরাট কোহলির হাফ সেঞ্চুরি প্রথম দিন ভারতকে কিছুটা আস্বস্ত করেছিল। পূজারা ৫৫ রানে আউট হওয়ার পর বিরাটের সঙ্গে ভারতের ইনিংসের হাল ধরেছিলেন অজিঙ্ক রাহানে।

দ্বিতীয় দিন সেখান থেকেই ব্যাট করতে নেমেছিলেন বিরাট-রাহানে। রাহানে ৫১ রান করে আউট হয়ে গেলেও ক্রিজে টিকে থেকে লড়াই চালিয়ে যান অধিনায়ক। ২৪১ রানের লিড নিয়ে প্রথম ইনিংস শেষ করে ভারত।

দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই প্রথম ইনিংসের করুণ দশা দেখা দেয়। ইডেন গার্ডেনে ফ্ল্যাড লাইটের আলোয় গোলাপি বলে যে বাংলাদেশ নিজেদের একেবারেই খাপ খাইয়ে নিতে পারছে না, সেটা ভালো করেই বোঝা যাচ্ছিল। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ না করেই, প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে ইশান্ত শর্মার হাতে এলবিডব্লিউর শিকার হন ওপেনার সাদমান ইসলাম।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হওয়ার পর ব্যক্তিগত শূন্য রানে সাজঘরে ফিরে যান অধিনায়ক মুমিনুল হক। মাত্র ৬ বল খেলার পর কোনো রান না করেই ফিরে গেলেন মুমিনুল।

মোহাম্মদ মিঠুন আর ইমরুল কায়েস চেষ্টা করেন ম্যাচটা ধরে রাখার। কিন্তু মাত্র ৭ রানে জুটি গড়েন এ দু’জন। দলীয় ৯ রানের মাথায় ফিরে যান মিঠুন। ১২ বলে ৬ রান করে তিনি। দলীয় ১৩ রানের মাথায় ফিরে গেলেন ইমরুল কায়েসও। ১৫ বলে ৫ রান আসে তার ব্যাট থেকে।

ভারতীয় বোলার ইশান্ত শর্মা প্রথম ইনিংসের মত দ্বিতীয় ইনিংসেও বিধ্বংসী। ৩৯ রান দিয়ে তিনি তুলে নেন ৪ উইকেট। ২ উইকেট নেন উমেষ যাদব।