• আজ ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

আর অনুমতি নেব না, যখন প্রয়োজন সমাবেশ করব: মির্জা ফখরুল

৭:২৮ অপরাহ্ন | রবিবার, নভেম্বর ২৪, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- সভা-সমাবেশ করতে প্রশাসনের কাছ থেকে আর অনুমতি নেবে না বিএনপি। দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রাজধানীর নয়াপল্টনে আয়োজিত এক সমাবেশে এই ঘোষণা দেন বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার বিকালে সমাবেশে তিনি বলেন, ‘এই সরকার আমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, আমাদের কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এর পর আর অনুমতি আমরা নেব না। আমাদের সমাবেশ যখন প্রয়োজন, আমরা করব। আমরা রাজপথে নামব, এটা আমাদের শাসনতান্ত্রিক অধিকার।’

পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় আগের দিন শনিবার বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে পারেনি। পরের দিনের জন্য আবার আবেদন করার পর আজ রোববার সকাল ১০টায় পুলিশ সমাবেশ করার অনুমতি দেয়।

এদিন প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সামনে একটাই লক্ষ্য গণতন্ত্রের প্রতীক দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করা এবং স্বৈরশাসকের পতন ঘটানো। এই সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার না। সুতরাং তারা অবৈধভাবে জোর করে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। জনগণের সমর্থনে নয়। দেশে গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম সেই গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রয়োজন হলে আবার বুকের রক্ত দিব।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ’১৬ কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রতীক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য একটি গণঅভ্যুত্থান প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই আমরা সমবেত হয়েছি।’

তিনি বলেন, সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে, বেআইনিভাবে তাকে আটক রাখা হয়েছে প্রায় ত্রিশ মাস ধরে। আমরা জানি, কোনোভাবে কোনো কিছুতে জড়িত না থেকেও শুধু মাত্র প্রতিহিংসার কারণে তিনি এই সাজা পেয়েছেন। অথচ ওয়ান/ইলেভেনের সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যেসব মামলা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো তুলে নেওয়া হয়েছে।’

‘আমাদের নেত্রীর বিরুদ্ধে মামলা ছিল মাত্র চারটি, সেটি আজ হয়েছে ৩৭টি। আর প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা ছিল ১৫টি, সেগুলো সব তুলে নেওয়া হয়েছে’— বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।