সংবাদ শিরোনাম

ছাত্রলীগ নেতার প্যান্ট চুরির ভিডিও ভাইরাল!পাটগ্রামে ইউএনও’র উপর হামলা, আটক ৬আগের সব রেকর্ড ভেঙ্গে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ৮৩ জনেরশফী হত্যা মামলা: মামুনুল-বাবুনগরীসহ ৪৩ জনকে অভিযুক্ত করে প্রতিবেদনখালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সারাদেশে দোয়া কর্মসূচিরোহিঙ্গা শিবিরে ফের অগ্নিকান্ডসালথায় তান্ডব: এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগের সত্যতা মিলেনিশাহজাদপুরে কৃষকদের মাঝে হারভেস্টার মেশিন বিতরণচাঁদপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপিশ্রমিকদের যাতায়াতের ব্যবস্থা না করলে আইনি পদক্ষেপ : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

  • আজ ৩০শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

মির্জাপুরে ধর্ষণের পর টাকার বিনিময়ে মিমাংসার চেষ্টা

১১:৪০ অপরাহ্ন | রবিবার, নভেম্বর ২৪, ২০১৯ ঢাকা
Tangail

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ধামা চাপা দেয়ার জন্য টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত বুধবার (২০ নভেম্বর) উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের বংশাই স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ডেকে তুলে নিয়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য ওষুধ খাইয়ে ২ বখাটে মিলে ধর্ষণ করে। ধর্ষণকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনার ৪ দিন পর রোববার (২৪ নভেম্বর) ধর্ষিতার পরিবারকে টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা চালায় প্রভাবশালী ঐ ধর্ষণকারীরা।

সরেজমিনে গিয়ে গোপন সন্ধানে ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিদের সুত্রে জানা যায়, আজগানা ইউনিয়নের রাকিব সিকদার, সোহান সিকদার ঐ স্কুল ছাত্রীকে দীর্ঘদিন যাবৎ নানা কুপ্রস্তাব দিয়ে আসতো। এতে রাজি না হওয়ায় গত বুধবার (২০ নভেম্বর) স্কুলে যাওয়ার পর ডেকে নিয়ে রাকিব ও সোহান সিকদার এবং (ড্রাইভার) জসিম মিয়ার সহযোগিতায় তাকে তুলে নিয়ে নেশা জাতীয় দ্রব্য ও যৌনউত্তেজক ওষুধ খাইয়ে জসিম মিয়ার বাড়ির পরিত্যাক্ত একটি ঘরে নিয়ে ২ জন মিলে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের এক পর্যায়ে ঐ ছাত্রী অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে ফেলে রেখে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় ঐ তিন বখাটে। পরে এলাকাবাসী ঘটনাটি জানতে পেরে ঐ ছাত্রীর পরিবারকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে পাশ্ববর্তী কালিয়াকৈর উপজেলার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। সে বর্তমানে প্রভাবশালীদের যন্ত্রণায় বাড়ি ছেড়ে মামার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পর প্রভাবশালীদের হুমকির কারণে থানায় কোনো ধরণের অভিযোগ বা মামলা দায়ের করতে পারেননি এবং মুখও খুলতে পারছেনা ধর্ষিতার পরিবার।

এ ঘটনার ৪ দিন পর রোববার রাতে ধর্ষিতার পরিবারকে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মিমাংসা করার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সায়েদুর রহমান জানান, ধর্ষণের একটি ঘটনার সংবাদ শুনেছি। তবে এ ঘটনায় কোনো ধরণের অভিযোগ পাইনি। কিন্তু বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য বলা হয়েছে দেওহাটা পুলিশ ফাঁড়ির আইসি মো. রফিকুল ইসলামকে তবে ধর্ষিতার পরিবার বা ধর্ষিতা নিজে অভিযোগ না দিলে পুলিশের কিছু করার নেই।