সংবাদ শিরোনাম

খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় ফরিদপুরে দোয়াওবায়দুল কাদেরকে কোম্পানীগঞ্জে ঢুকতে না দেওয়ার ঘোষণা কাদের মির্জারকরোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন এমপি ফারুক চৌধুরীর মাফরিদপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে কলেজ শিক্ষার্থীর ওপর হামলামামুনুল হকের কথিত শ্বশুরকে নোটিশ দেওয়ায় আ.লীগ নেতাদের হত্যার হুমকির অভিযোগ!ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চম দফায় ৪৫ আসনে ভোটগ্রহন চলছেচিরকুট লিখে হাসপাতালের ১১তলা থেকে লাফিয়ে করোনা রোগীর আত্মহত্যা!একজন অভিভাবক হারানোর শোক অনুভব করছি : শাকিব খানবেনাপোল ও শার্শা সীমান্ত থেকে ৯ লাখ টাকার গাঁজাসহ ২ পাচারকারী আটককবরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ

  • আজ ৪ঠা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

‘অনেকবার বলেছি, আমি সেই মিজান না’

২:০৩ অপরাহ্ন | বুধবার, নভেম্বর ২৭, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- বহুল আলোচিত গুলশানের হলি আর্টিজানে হামলা মামলায় সাত জঙ্গিকে আদালত মৃত্যুদণ্ড দিলেও খালাস পেয়েছেন নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান।

বুধবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এছাড়াও প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

সূত্র জানায়, মিজানের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা যথাযথ প্রমাণ না হওয়ায় এবং ফাঁসিযোগ্য অপরাধ বিবেচিত না হওয়ায় আদালত বড় মিজানকে খালাস দেন। রায় শুনে তাকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়।

এরপরই আদালতে উপস্থিত আইনজীবী ও গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশে কথা বলেন খালাসপ্রাপ্ত আসামি বড় মিজান। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ আমাকে খালাস করেছেন। আমি অনেকবার বিচারককে বলেছি— আমি সেই মিজান না। আমাকে বিনা দোষে এত দিন জেলে রাখছে।’

জানা গেছে, হলি আর্টিজান মামলায় অভিযুক্ত মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান ছিলেন। নামের মিল থাকার কারণেই খালাস পাওয়া এই মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো.মজিবুর রহমান সাতজনের ফাঁসির রায় দেন আদালত। রায় ঘোষণার পর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা আসামিরা উচ্চ স্বরে বলতে থাকেন, আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর। এরপর গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশে আসামিরা বলেন, ‘আমাদের বিজয় খুব শিগগিরই।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিসান বেকারিতে নৃশংস হামলা চালায় জঙ্গিরা। ওই দিন রাত পৌনে ৯টার দিকে সশস্ত্র পাঁচ জঙ্গি বেকারিতে ঢুকে নির্বিচারে গুলি করে ২২ জন দেশি-বিদেশি নাগরিককে হত্যা করে যার মধ্যে ৯ জন ইতালিয়ান, সাত জন জাপানি, এক জন ভারতীয় নাগরিক। জঙ্গিদের দমনে অভিযান চালাতে গিয়ে নিহত হন পুলিশের দুই কর্মকর্তা। জঙ্গিরা বেকারিতে যাওয়া অতিথিদের রাতভর জিম্মি করে রাখে।

পরদিন সকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় সেনাবাহিনী কমান্ডো অভিযান- অপারেশন থান্ডারবোল্ট পরিচালনা করে তাদের জিম্মিদশা থেকে মুক্তি করে। অভিযানে পাঁচ জঙ্গি ও একজন বেকারি শেফ নিহত হন। এছাড়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত হন আরও একজন বেকারিকর্মী।