• আজ শুক্রবার। গ্রীষ্মকাল, ১০ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২৩শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। বিকাল ৩:১২মিঃ

পুলিশের সামনেই আইএসের টুপি পরে আসামিদের স্লোগান!

⏱ | বুধবার, নভেম্বর ২৭, ২০১৯ 📁 আলোচিত বাংলাদেশ
poli

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার তিন বছর চার মাস ২৬ দিন পর চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে আট আসামির মধ্যে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালতে বুধবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

রায় ঘোষণার পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত জঙ্গির কারো মধ্যে কোনো অনুশোচনা দেখা যায়নি। বরং আদালতে উদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছে হলি আর্টিজান হামলা মামলার আসামিরা। এজলাসেই তারা আইএস’র নামে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। এক জঙ্গিকে নিষিদ্ধ সংগঠনটির লোগো সম্বলিত টুপিও পরতে দেখা যায়। রায় শেষে আদালত থেকে বের হওয়ার সময় এই টুপি মাথায় দিয়ে আসে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যান।

আসামিদের প্রিজনভ্যানে তোলার পর আরও এক জঙ্গিকেও কালো কাপড়ে তৈরি একই রকম টুপি পরতে দেখা যায়। ওই জঙ্গির নাম জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী। দণ্ডপ্রাপ্ত নব্য জেএমবির এসব জঙ্গিদের আদালত থেকে কারাগারে নেয়ার সময় তারা প্রিজনভ্যানের ভেতর থেকে চিৎকার করে নিজেদের কর্মকাণ্ডের পক্ষে বলতে থাকেন। একই সঙ্গে স্লোগান দিতে থাকেন। এর আগে সকালেও আসামিরা হাসিমুখে আঙুল উঁচিয়ে আদালতে প্রবেশ করে। তখন তাদের চোখেমুখে কোনো চিন্তার ছাপ ছিল না।

তবে কেরাণীগঞ্জ কারাগার থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নেয়ার সময় তার মাথায় কোন টুপি দেখা যায়নি। এজলাসে নেয়ার সময় একটি টুপি দেখা যায় তার মাথায়। তবে উল্টো করে পড়ায় তখন দেখা যাচ্ছিল না আইএস এর লোগো। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রিগ্যানের মাথায় আইএসের টুপি কিভাবে এলো তা তদন্ত করা দরকার।

এবিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, জঙ্গির মাথায় ‘আইএস’ এর টুপি কিভাবে এলো সে বিষয়ে তদন্ত প্রয়োজন। হলি আর্টিজান হামলার রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে এই ধরনের মামলার দ্রুত বিচার হয় সেটা প্রমাণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী।