• আজ মঙ্গলবার। গ্রীষ্মকাল, ৭ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ২০শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। সকাল ৬:৫১মিঃ

বিশ্ব মিডিয়ায় হলি আর্টিজান মামলার রায়

৮:৫৩ অপরাহ্ন | বুধবার, নভেম্বর ২৭, ২০১৯ আন্তর্জাতিক
hol

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলা ও নৃশংস হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পরপরই বিষয়টি শিরোনাম হয়ে উঠে আসছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে।

ভারতের গণমাধ্যম আনন্দবাজারে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল, ‘খাগড়াগড় চক্রী হাতকাটা নাসিরুল্লার মৃত্যুদণ্ড, হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হানায় সাজা বাংলাদেশে’।

এতে বলা হয়, বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্ত এবং জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের নেতা সোহেল মেহফুজ ওরফে হাতকাটা নাসিরুল্লাকে মৃত্যুদণ্ড দিলেন ঢাকার আদালত।

ইরানের গণমাধ্যম পার্সটুডে-তে প্রকাশিত প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল, ‘ঢাকার হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস’।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশের রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান ক্যাফেতে জঙ্গি হামলার মামলার রায়ে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

কাতারের গণমাধ্যম আল জাজিরায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল, ‘হলি আর্টিজান ক্যাফে হামলা: ঢাকার আদালতে সাত জনের মৃত্যুদণ্ড’।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাকার এক সন্ত্রাসবাদ বিরোধী আদালতে বাংলাদেশি রাজধানীর জনপ্রিয় ক্যাফে হলি আর্টিজান বেকারিতে ২০১৬ সালে হামলার ঘটনায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

ফ্রান্সের সংবাদ সংস্থা এএফপিতে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল, ‘বাংলাদেশে ২০১৬ সালে ক্যাফেতে হামলার দায়ে ইসলামি উগ্রপন্থিদের মৃত্যুদণ্ড দিলেন আদালত’।

এতে বলা হয়, ঢাকার হলি আর্টিজান বেকারি ক্যাফেতে ২০১৬ হামলা চালিয়ে ১৮ বিদেশিসহ ২২ জনকে হত্যার দায়ে সাত ইসলামি উগ্রপন্থিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বাংলাদেশের এক আদালত।

জার্মানি গণমাধ্যম ডয়চে ভেলে-তে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত খবরটির শিরোনাম ছিল, ‘সাত জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড, আদালতে আইএস-এর টুপি মাথায় আসামি’।

এই খবরে বলা হয়, গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে নৃশংস জঙ্গি হামলার রায়ে আট আসামির মধ্যে সাত জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একজনকে খালাস দিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাকিবুল হাসান রিগ্যান আইএসের (ইসলামিক স্টেট) টুপি মাথায় দিয়ে আদালতে হাজির হন বলেও উল্লেখ করা হয় এই খবরে।

যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসিতে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল, ‘হলি আর্টিজান হামলা: বিশেষ আদালতে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড, একজন খালাস’।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, বাংলাদেশে ২০১৬ সালে ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার মামলায় সাতজন জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল।

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম সিএনএনে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলায় জড়িত থাকার দায়ে সাত জনের মৃত্যুদণ্ড’।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের এক আদালত বুধবার দেশটির সবচেয়ে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী হামলায় সাহায্য করার জন্য দোষী প্রমাণিত হওয়ায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের পহেলা জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ সময় তাদের গুলিতে পুলিশের দুই সদস্য নিহত হন। পরে কমান্ডো অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ঐ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় মামলা দায়ের করে পুলিশ। হামলার ৩ বছর পর ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় প্রকাশ করলো আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজীব গান্ধী, আসলাম হোসেন ওরফে র‌্যাশ, আব্দুস সবুর খান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাদিসুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ওরফে খালেদ ও মামুনুর রশিদ। এই মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান।