• আজ রবিবার। গ্রীষ্মকাল, ৫ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ। ১৮ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ। বিকাল ৩:৪৯মিঃ

স্বামীর তিন তালাক, আটকে রেখে শ্বশুর করে সর্বনাশ!

১১:২০ পূর্বাহ্ন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৮, ২০১৯ আন্তর্জাতিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- স্বামীর তিন তালাক দেয়ার পর এক নারী গণলালসার শিকার হয়েছেন। মাথায় বন্ধুক ঠেকিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনরাই তার সর্বনাশ করে বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শ্বশুর।

ভারতের রাজস্থানের আলওয়ার জেলার চোপানাকি নামক অঞ্চলে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ইতিমধ্যে ঘটনায় স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

যদিও এই ভয়ঙ্কর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। ঘটনার পর থেকেই এলাকা ছাড়া অভিযুক্ত লোকজন। যদিও অভিযুক্তদের খোঁজে ইতিমধ্যে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

নির্জাতিতা জানিয়েছেন, গত ২০১৫ সালে বিয়ে হয় ওই মহিলার। এরপর একটি কন্যা সন্তানেরও জন্ম দেন ওই মহিলা। এরপর থেকেই নানাভাবে ওই মহিলার উপর অত্যাচার শুরু হয়। পনের দাবিতে এই অত্যাচার শুরু হয় বলে অভিযোগ মহিলার আত্মীয়ের। শুধু তাই নয়, কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার কারণে মহিলার উপর অত্যাচারের পরিমাণ আরও বেড়ে যায় বলে অভিযোগ।

কিন্তু অত্যাচারের পরিমাণ বাড়তে থাকলে একদিন এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন ওই মহিলা। এরপর গত নভেম্বর থেকে ওই আক্রান্ত মহিলাকে একটি ঘরে বন্দি করে রাখে শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। আটকে রেখেই তাঁর উপর অত্যাচার চলত বলে অভিযোগ।

গত নভেম্বর মাসে মেয়েটির স্বামী মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে তাঁকে তিন তালাক দেয়। এরপরই তাঁর শ্বশুর ও অন্য এক আত্মীয় ঘরে ঢোকে। শিশুকন্যাটিকে লাথি মেরে ঘরের বাইরে বের করে দিয়ে গানপয়েন্টে মহিলাকে গণধর্ষণ করে তারা।

যদিও পরে কোনও ভাবে লুকিয়ে পালিয়ে বাঁচে সে। বিষয়টি খুলে জানান সবাইকে। এরপরেই হুলস্থল বেঁধে যায়। পুরো ঘটনা জানিয়ে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়।