সংবাদ শিরোনাম

পাবনায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহতফেসবুকে নারী চিকিৎসককে উত্ত্যক্ত, যুবক গ্রেফতারফরিদপুরে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলা, ক্যামেরা ভাঙচুরকৃষক লীগের কমিটিতে মুফতি হান্নানের খালাতো ভাই, তদন্ত কমিটি গঠনখালেদার করোনা পরীক্ষার নমুনা দেওয়ার খবরটি ভুয়াপরকীয়া প্রেমিকের স্ত্রীর হাতে প্রহার, ‘ধামাচাপা দিতে’ স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা!লালমনিরহাটে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ামাদারীপুরে ভুয়া মেজর ও মেরিন অফিসারসহ ৪ প্রতারক আটকহেফাজতকে প্রতিরোধে কার্যকর আইন আছে: আইনমন্ত্রীটিকা নেওয়ার দুই মাস পর স্বাস্থ্য কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত

  • আজ ২৭শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

‘আমি শিক্ষক, আমাকে ক্লাসে ফিরে যেতে দিন’

৯:১০ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৮, ২০১৯ শিক্ষাঙ্গন
du

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুশাদ ফরিদীকে ২০১৭ সালে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়। তিনি তার দায়িত্ব পুনরায় ফিরে পাওয়ার দাবিতে আজ (২৮ নভেম্বর) টানা তৃতীয় দিনের মতো বিভাগীয় চেয়ারম্যানের অফিসের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন।

২০১৭ সালে উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেট বৈঠকের পর ফরিদীকে ১৩ জুলাই ২০১৭ থেকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছিলো। কিন্তু, এর জন্য তাকে কোনও ‘কারণ দর্শানো’ নোটিশ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে আমাদের ঢাবি সংবাদদাতা।

অর্থনীতি বিভাগের বেশ কয়েকজন শিক্ষক রুশাদ ফরিদীর সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানানোয় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো। এর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

২৪ জুলাই ২০১৭-তে হাইকোর্ট রুশাদ ফরিদীকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে প্রেরণের সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

রুশাদ ফরিদীকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত কেনো অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে ঢাবির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এর ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

শেষ পর্যন্ত, দুই বছরের আইনি লড়াই শেষে এ বছর ২৫ আগস্ট উচ্চ আদালত সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করেন। ঢাবি কর্তৃপক্ষকে আদেশ দেওয়া হয় রুশাদ ফরিদীকে তার কার্যালয়ে যোগদানের অনুমতি দিতে।

হাইকোর্টের রায়ের তিন মাস অতিক্রম করার পরও ক্লাসে ফিরতে না পেরে প্রতিবাদ হিসেবে গত মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) থেকে অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষের সামনে একটি প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানান রুশাদ ফরিদী।

প্ল্যাকার্ডে তিনি লিখেছেন—আমি শিক্ষক, আমাকে ক্লাসে যেতে দিন।

রুশাদ ফরিদীর অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসহযোগিতার জন্য তিনি অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে তাকে। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত ছাড়াই তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বিভাগের বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন বলেই তার বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলকভাবে অভিযোগ আনা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন রুশাদ ফরিদী।