• আজ ২৯শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে গণধোলাই খেল ৩ পুলিশ

১১:০৫ অপরাহ্ন | বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৮, ২০১৯ ঢাকা, দেশের খবর

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি- টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের ভাতকুড়াচালা গ্রামের মো. ফরহাদ মিয়ার ছেলে বজলু মিয়াকে পকেটে ইয়াবা দিয়ে আটকের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর সময় ৩ পুলিশ সদস্য ও সোর্সকে হাতে নাতে আটক করেছে এলাকাবাসী। আটকের পর গণধোলাইও দিয়েছে। ক্ষুদ্ধ জনতা ওই ৩ পুলিশ সদস্য ও সোর্সকে আটক করে গনধোলাই দেয়। পরে পুলিশ কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার হাতিবান্ধা ইউনিয়নের হতিয়া রাজাবাড়ী গার্লস স্কুল সংলগ্ন বাজারে তাদের আটক করে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় আরও ২ পুলিশ সদস্য পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।

আটককৃত পুলিশ সদস্যরা হলেন, টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ফাঁড়ির এএসআই রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, কনস্টেবল রাসেল আহম্মেদ ও গোপাল সাহা। এ ঘটনার সাথে তোজাম্মেল ও হালিম নামের ২ পুলিশ সদস্য পলাতক রয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশরা দীর্ঘদিন যাবৎ ঐ এলাকার সাধারণ জনগণের পকেটে ইয়াবা দিয়ে গ্রেপ্তার করে আসছে এবং তাদের ছুটাতে প্রায় একেক জনের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিতো। আজ (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সিনএজি যোগে ঐ গ্রামে ঢুকে পুলিশ সদস্যরা। ঐ ইউনিয়নের ভাতকুড়াচালা গ্রামের মো. ফরহাদ মিয়ার ছেলে বজলু মিয়াকে পকেটে ইয়াবা দিয়ে আটকের চেষ্টা করে পরে বজলুর ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ৩ পুলিশ সদস্য ও সোর্সকে আটক করে গণধোলাই দেয়। এ সময় দুই পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে সখিপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ বিষয়ে সহকারি পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) দীপংকর রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।