• আজ ২৮শে চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

জিডিপির পতন অব্যাহত, হুমকির মুখে ভারতের অর্থনীতি

৭:২৬ পূর্বাহ্ন | শনিবার, নভেম্বর ৩০, ২০১৯ আন্তর্জাতিক
modi

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছয় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রবৃদ্ধির হার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। আগের ত্রৈমাসিকে এ হার ছিল ৫ শতাংশ। আর ২০১৮ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ছিল ৭ শতাংশ। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দাগতি, দেশের বাজারে নতুন শিল্প-বিনিয়োগের অভাব, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলোর খারাপ পারফরম্যান্স, বেসরকারিকরণের সিদ্ধান্ত, কর্মসংস্থানে ছাঁটাই ও পড়তি-সব কিছুর মিলিত প্রভাবেই অর্থনীতি তথা বৃদ্ধির হারে এমন দুর্দশা বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

বৃদ্ধির হারে লাগাতার এই পতন এবং প্রথম ত্রৈমাসিকে ছয় বছরের সর্বনিম্ন বৃদ্ধির হার দেশটির আর্থিক মন্দার সম্ভাবনারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে জিডিপির এই পতনকে ‘মন্দা’ বলতে মানতে নারাজ ভারত সরকার। দেশটির কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের দাবি, এটা ‘মন্দা’ নয় বৃদ্ধির হারে ‘শ্লথগতি’। যার অর্থ দাঁড়াই আর্থিক বৃদ্ধি আশানুরূপ নয়।

সরকারের প্রত্যাশা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি আবারও বাড়বে। কেননা, গত কয়েক মাসে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ওপর অধিক কর প্রত্যাহার থেকে শুরু করে কর্পোরেট কর কমানোর মতো পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে খরচ কমাতে বিদেশ সফরের বিরতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কোনও হোটেলে উঠেন না বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, মোদির কাছে খরচ বাঁচানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশ সফরে যাত্রাবিরতি কিংবা কারিগরি বিরতির সময় তিনি বিমানবন্দরের টার্মিনালেই বিশ্রাম নেন। কোনও পাঁচ তারকা হোটেলে উঠেন না।

অমিত শাহ আরও বলেন, নিজের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে খুবই নিয়ম মেনে চলেন মোদি। বিদেশ গেলে বহরে বেশি গাড়ি নেওয়াও পছন্দ নয় তার। আগে সরকারি কর্মকর্তারা আলাদা আলাদা গাড়ি ব্যবহার করতেন। এখন সবাই বাসে কিংবা বড় গাড়িতে যান।