সংবাদ শিরোনাম

শৈত্যপ্রবাহে কাপছে হিলিবাসী, হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহনকোকো বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে নিজেকে স্মরণীয় করে রেখেছেন: মির্জা ফখরুলচাঁদপুরে ভাঙা ঘরে ৭ সদস্যের সংসার: মাথা গোঁজার ঠাঁই চান অসহায় জাফরবাইডেনের শপথ অনুষ্ঠান: ২০০ নিরাপত্তারক্ষী করোনায় আক্রান্তআশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেলেন দুই বারের নির্বাচিত সাবেক এমপিএবার মেলানিয়াও ‘ছেড়ে গেলেন’ ট্রাম্পকে!, ভিডিও ভাইরালকরোনায় মৃতের পরিবারকে ১০ লাখ টাকার চেক দিল ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডপাগলা মসজিদের সিন্দুকে এবার দুই কোটি ৩৮ লাখ টাকা, মিলেছে স্বর্ণালঙ্কারওবগুড়ায় মোটরসাইকেল চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতারঝালকাঠি বাস টার্মিনাল: নেই যাত্রী ছাউনি, টয়লেট কিংবা বিশ্রামাগার

  • আজ ১০ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইল-আরিচা মহাসড়কের ১২টি বেইলি সেতু ঝুঁকিপূর্ণ

◷ ৪:৩৯ অপরাহ্ন ৷ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ৩, ২০১৯ সমস্যা ও সমাধান
Bailey Bridge Tangail Pic

অন্তু দাস হৃদয়, স্টাফ রিপোর্টার: টাঙ্গাইল-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে থাকা মোট ১২টি বেইলি সেতুর সবগুলোর অবস্থাই নড়বড়ে। ঝুঁকি নিয়ে সেতুগুলো পার হচ্ছে যানবাহন।

যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বেইলি সেতুগুলোর পরিবর্তে ওইসব পয়েন্টে স্থায়ী সেতু নির্মাণ এবং সড়ক প্রশস্ত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সড়কটিতে নিয়মিত যাতায়াতকারীরা।

টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে, ৫৫ দশমিক পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ টাঙ্গাইল-আরিচা আঞ্চলিক মহাসড়কের ৩৫ দশমিক পাঁচ কিলোমিটার টাঙ্গাইলে ও ২০ কিলোমিটার পড়েছে মানিকগঞ্জ জেলায়। আঞ্চলিক এই মহাসড়কটি টাঙ্গাইল শহর থেকে শুরু দেলদুয়ার, নাগরপুর উপজেলা সদর, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর ও ঘিওর উপজেলা সদর হয়ে বরাংগাইল পয়েন্টে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মিশেছে।

প্রায় দুই দশক আগে এই সড়ক নির্মাণের সময় টাঙ্গাইল অংশে স্থাপন করা হয় ১২টি বেইলি সেতু। এ গুলো হলো- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার অলোয়া, দেলদুয়ারের এলাসিন, নাগরপুরের খোরশেদ মার্কেট, ধলাপাড়া, থানা মোড়, বারাপুষা, ভালকুটিয়া, তিরছা, টেংরীপাড়া, আড়রাকুমার, ধুবুরিয়া ও চাষাভাদ্রা।

এ ব্যাপারে স্থানীয়রা জানান, ২০১৩ সালে ধলেশ্বরী সেতু চালু হওয়ার পর এই সড়ক ব্যবহার করে টাঙ্গাইল থেকে আরিচা যেতে ফেরি পারাপারের বিড়ম্বনা শেষ হয়। ফলে ওই বছর থেকেই সড়কটিতে যানবাহন চলাচল বেড়ে যায় কয়েকগুণ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মালবাহী ট্রাক, যাত্রীবাহী বাস এই সড়ক ব্যবহার করে টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুরসহ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করে।

এ ছাড়াও, প্রতিদিন কয়েকশ’ সিএনজিচালিত অটোরিকশা টাঙ্গাইল-আরিচা সড়কে চলাচল করে।

সরেজমিনে, বেইলি সেতুগুলোর অবস্থা ঝুঁকিপ‚র্ণ হওয়ায় প্রতিদিনই বিপুল সংখ্যক যানবাহনকে চলতে হচ্ছে ঝুঁকি নিয়ে। প্রতিটি সেতুরই স্টিলের পাটাতন য়ে গেছে। ফলে মোটরসাইকেলসহ হালকা যানবাহন প্রায়ই চাকা পিছলে দুর্ঘটনার শিকার হয় আর ভারী যানবাহন উঠলে রীতিমতো কেঁপে ওঠে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, একরকম দায়সারাভাবেই ঝুঁকিপূর্ণ সেতু সাবধানে পারাপার হওয়ার নির্দেশনা সম্বলিত সাইনবোর্ড টানিয়ে রেখেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

তিরছা গ্রামের জাফর আলী বলেন, এ বছর জানুয়ারিতে ট্রাক আটকে গিয়েছিল পাটাতনে। পরে সেতুর ওই অংশ মেরামত করা হয়।

এই সড়কে চলাচলকারী ট্রাক চালক আজিজুল ইসলাম বলেন, একেক টি সেতু পার হওয়ার সময় মনেহয় এই বুঝি ভেঙে পড়লো। আতঙ্ক নিয়েই সেতু পার হতে হয়।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া (বড় মনি) সময়ের কন্ঠস্বর’কে জানান, টাঙ্গাইল-আরিচা সড়কের বেইলি সেতুগুলোর স্থানে স্থায়ী সেতু নির্মাণ এবং সড়কটি প্রশস্ত করা প্রয়োজন।

এতে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের সঙ্গে আরিচা হয়ে দেশের দণিবঙ্গের যাতায়াত সহজ হবে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আমিমুল এহসান সময়ের কন্ঠস্বর’কে বলেন, টাঙ্গাইল-আরিচা সড়কের বেইলি সেতুগুলোর জায়গায় স্থায়ী সেতু নির্মাণ এবং এই সড়কের উন্নয়নের জন্য একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।

একনেকে এই প্রস্তাব পাস হলে এর উন্নয়ন কাজ শুরু করা হবে। আশা করছি দ্রুতই প্রস্তাবটি পাস হবে।

সময়ের কণ্ঠস্বর/ফয়সাল