প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার চাইলেন নুরের বাবা

urbaba
❏ সোমবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর ডেস্কঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরের বাবা ইদ্রিস হাওলাদার বলেছেন, আমরা কি বাংলাদেশের নাগরিক না? তা হলে আমাদের ওপর কেন এই বারবার হামলা? কেন আমাদের নিয়ে অনধিকার চর্চা করা হয়?

রোববার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান ইদ্রিস হাওলাদার। এ সময় ছেলের শারীরিক অবস্থা দেখে কেঁদে ফেলেন তিনি।

ইদ্রিস হাওলাদার বলেন, নুরের বাবা বলেন, আমার ছেলে বাংলাদেশের নাগরিক। সেই অধিকারেই ভোটে সে ভিপি হয়েছে। তবু তার ওপর কেন বাবরার হামলা হয়? তাকে নিপীড়ন-নির্যাতন করা হয় কেন? এই তো পাঁচ-ছয় দিন আগেও তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আঙুল ভেঙে দিয়েছে ওরা। এরই মধ্যে তিনবার হামলা করা হয়েছে।

হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে ইদ্রিস হাওলাদার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি এর ন্যায়বিচার চাই। যাতে করে বাংলার মাটিতে আর এরকম কোনো ঘটনা না ঘটে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ছাত্র সমাজের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ ডাকসু ভিপি। আমি বিনয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি– তিনি যেন এর সঠিক বিচার করেন।

ভিপি নুরের দ্রুত সুস্থতা কামনা চেয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন ইদ্রিস হাওলাদার।

এর আগে রোববার দুপুর পৌনে ১টার দিকে ডাকসু ভবনের নিজ কক্ষে হামলার শিকার হন ভিপি নুর। তাণ্ডবের ঘটনাটির কয়েকটি ভিডিও ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

যেখানে দেখা গেছে, হামলা-ভাঙচুরে ভিপি নুরসহ আটজন আহত হয়েছেন। হামলার পর আহত ডাকসু ভিপি নুরুল হক অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এছাড়া ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহবায়ক রাশেদ খান, ফারুক হোসেনসহ অন্যদের সাহায্য চেয়ে আকুতি জানাতে দেখা গিয়েছে।

ভিডিওতে বাংলাদেশে সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদ নেতা রাশেদ খানকে বলতে শোনা গেছে, ‘শাহবাগ থানা-পুলিশের সাহায্য কামনা করছি। এখানে আমাদের সবার অবস্থা খারাপ।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ডাকসু ভবনের মূল ফটক বন্ধ করে নুরের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করা হয়। এছাড়া বাইরে থেকেও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা ইটপাটকেল ছোড়েন। হামলায় অন্তত ৩২ জন আহত হয়েছেন।