‘আমারও প্রশ্ন, নুর কেন বারবার হামলার শিকার হচ্ছে’

❏ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর ও তার সমর্থকদের ওপর হামলায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হচ্ছে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, আমারও প্রশ্ন, তার ওপর কেন বার বার হামলা হচ্ছে? তবে এটি খতিয়ে দেখবো।’

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঢাকা ওয়াসার মিলনায়তনে সোভিয়েত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘আমি মনে করি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকদিন পর ডাকসু নির্বাচন হয়েছে। ডাকসুর নেতৃত্বে এসেছে নুরুল হক নুর। তাই আমরা মনে করি ডাকসুকে ধরে রাখতে হবে। ভবিষ্যত রাজনীতিক এখান থেকে উঠে আসে। আমরা যেভাবে উঠে এসেছি। সেই জায়গা থেকে নেতাদের শূন্যতা আমরা দেখতে চাই না। সেজন্য ডাকসু প্রতিনিধিরা যেন সুন্দরভাবে সুশৃঙ্খল রাজনীতি করে সেটা আমরা প্রত্যাশা করবো।’

বিশিষ্টজনেরা বলছেন, নুর এ পর্যন্ত ৯ বার হামলার শিকার হয়েছেন। শুরু থেকে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে এর পুনরাবৃত্তি হতো না- এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘৯ বার না দুইবার সেটা আমরা জানি না। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো- তার ওপর হামলা হবে কেন?’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমি যা বলতে চাচ্ছি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে না। ইউনিভার্সিটির যখন প্রয়োজন হয় প্রক্টর কিংবা ভিসি যদি অনুমতি দেন কিংবা অনুরোধ করেন তখনই তারা প্রবেশ করে। কাজেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়ে সেখানে এ ধরনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই কার্যকর ভূমিকা পালন করেন।’

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘আমার নিজেরই প্রশ্ন নুরের ওপর কেন বারবার হামলা হচ্ছে? আপনারা যদি এর কোনো কারণ পান তাহলে আমাকে জানাবেন। তবে নুর কেন বারবার ‘আপনাদের মতে’ আক্রান্ত হচ্ছে সেটা আমরা দেখবো।’

উল্লেখ্য, ভিপি নুরুল হক নুর ও তার সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় সোমবার রাতে (২৩ ডিসেম্বর) রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় এখন পর্যন্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার দুইজন হলেন- মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও আল মামুন।

এছাড়া মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- এ এস এম সনেট, ইয়াসির আরাফাত তুর্য, ইমরান সরকার, ইয়াদ আল রিয়াদ, মাহবুব হাসান নিলয়, তৌহিদুল ইসলাম মাহিম। মামলায় এর বাইরেও অজ্ঞাত ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।