🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বুধবার, ২৯ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ১২ মে, ২০২১ ৷

বিক্ষোভে গুলি চালানোর কথা স্বীকার করলো ভারতীয় পুলিশ

❏ মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯ আন্তর্জাতিক
guli

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে চলা বিক্ষোভে গুলি চালানোর কথা প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে পুলিশ। তবে তা আত্মরক্ষায় বলে জানানো হয়েছে। কড়া সমালোচনার মুখে সোমবার এ কথা স্বীকার করে উত্তর প্রদেশের পুলিশ।

দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা বিক্ষোভে যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৫ জন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি চালায় পুলিশ। এতদিন বিষয়টি অস্বীকার করে আসছিল প্রশাসন।

পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের বিজনৌরের পুলিশ জানিয়েছে, শহরে নিহত দুই বিক্ষোভকারীদের মধ্যে একজন পুলিশের গুলিতেই মারা গেছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে শুক্রবার নতুন সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে বিজনৌরসহ উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায়। বিজনৌরের পুলিশ প্রধান বলেন, আত্মরক্ষার জন্য একজন কনস্টেবল ২০ বছর বয়সী সুলেমানকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

বিজনৌরের পুলিশ সুপার সঞ্জীব ত্যাগী বলেন, আমাদের একজন কনস্টেবলের বন্দুক ছিনিয়ে নেয়া হয়। যখন ছিনতাই করা বন্দুকটি আমাদের কনস্টেবল ফিরিয়ে নিতে এগিয়ে যান, তখন উন্মত্ত জনতার মধ্যে থেকে একজন তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে যায়। অল্পের জন্য বেঁচে যান আমাদের পুলিশকর্মী। পরিস্থিতি সামলাতে এবং আত্মরক্ষা করতে বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি চালান ওই কনস্টেবল।

তিনি বলেন, নিহত যুবকের বন্ধুরা তাকে সরিয়ে নিয়ে যায়। তার নাম সুলেমান এবং তিনি মারা গেছেন। জনতার দিক থেকে গুলি চলার ফলে আরও একজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যু হয়, তার নাম আনাস।

এদিকে ত্যাগীর এমন এমন বক্তব্য উত্তরপ্রদেশের পুলিশ প্রধানের বক্তব্যের বিরোধী। কেননা বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর পুলিশের গুলিতে কেউ নিহত হওয়ার কথা অস্বীকার করেন উত্তরপ্রদেশের পুলিশ প্রধান ওপি সিং। তিনি বলেছিলেন, আমরা কোথাও একটা গুলিও চালাইনি।

উল্লেখ্য গত ১২ ডিসেম্বর মোদি সরকারের প্রস্তাবিত নাগরিকত্ব বিলটি আইনে পরিণত হলে ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে ভারতের সাধারণ মানুষ। নাগরিকত্ব আইনে ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিমদের প্রতি অন্যায় হয়েছে অভিযোগ তুলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে উদ্বেগ জানিয়েছে দ্য অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন- ওআইসি’র সাধারণ পরিষদ।