🕓 সংবাদ শিরোনাম
  • আজ বুধবার, ২৯ বৈশাখ, ১৪২৮ ৷ ১২ মে, ২০২১ ৷

এবার ডাকসু ভিপি নুরকে প্রধান আসামি করে মামলা

❏ বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৯ আলোচিত বাংলাদেশ

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নূর এবং তার সঙ্গী বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এবার পাল্টা মামলা হয়েছে, যেখানে হত্যাচেষ্টার সঙ্গে মানিব্যাগ, মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে।

শাহবাগ থানায় বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) মামলাটির এজাহার দায়ের করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বি এম সাব্বির হোসেন।

মামলায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হোসেন। তিনি জানান, সাব্বির হোসেন নামের ঢাবির এক ছাত্র মামলাটি দায়ের করেন। নুরসহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করা হয়।

পুলিশ জানায়, ডাকসু ভবনে অনধিকার প্রবেশ করে হত্যার চেষ্টা ও মালামাল চুরিসহ একাধিক অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় নুরকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে।

ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর ছাড়া আরও যাদের নামে মামলা করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক এপিএম সোহেল, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হানিফ, আমিনুল ইসলাম, তুহিন ফারাবী, মেহেদি হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জমিস উদ্দিন হলের ছাত্র সালেহ উদ্দিন সিফাত, নাজমুল হাসান, আয়াতুল বেহেশতী, রবিউল হোসেন, আরিফুর রহমান ও সাইফুল ইসলাম।

এর আগে গত রোববার ভিপি নুর তার সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতাকর্মীদের নিয়ে ডাকসু ভবনে অবস্থানকালে তাদের ওপর হামলা চালায় ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের নেতাকর্মীরা। এতে ভিপি নুরসহ ২৪ জন আহত হন।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৩৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন শাহবাগ থানার এসআই মোহাম্মদ রইচ উদ্দিন।

এদিকে হামলার ঘটনায় ভিপি নুরের পক্ষ থেকে ছাত্রলীগের ৩৭ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়। মামলাটি বর্তমানে ডিবি তদন্ত করছে। মামলার প্রধান আসামি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন।

এছাড়া হামলার ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের তিনজনকে গ্রেফতার করে তাদের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।