🕓 সংবাদ শিরোনাম

রোজিনার সঙ্গে যারা অন্যায় করেছে, তাঁদের জেলে পাঠান: ডা. জাফরুল্লাহকেরানীগঞ্জে ফ্ল্যাট থেকে যুবতীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারপাটগ্রাম সীমান্তে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের দায়ে নারী ও শিশুসহ ২৪জন আটকসাংবাদিকদের ভয় দেখিয়ে সরকার গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে চায়: ভিপি নুরসাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নয়, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন: হানিফআর এমন ভুল হবে না: নোবেলস্বেচ্ছায় কারাবরণের আবেদন নিয়ে থানায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকেরাইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাস্তায় ঢাবি শিক্ষক সমিতিযমুনা নদীতে ডুবে তিন কলেজ ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু‘বাংলাদেশে সাংবাদিকতাকে তথ্য চুরি বলা হচ্ছে, এর চেয়ে দুঃখ আর নেই’

  • আজ বুধবার, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৯ মে, ২০২১ ৷

টেকনাফ বাহারছড়ার মোষ্ট ওয়ান্টেড ইয়াবাডন আব্দুল্লাহ বেপরোয়া!

yaba
❏ বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৬, ২০১৯ চট্টগ্রাম

তাহজীবুল আনাম, কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী পাড়ায় ইয়াবা ও মানবপাচারের রমরমা বানিজ্য যেন দিনদিন অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেছে।এলাকার উড়তি বয়সের যুবকরা পড়াশোনায় সময় ব্যয় না করে সরাসরি সহজ পন্থা ইয়াবা বানিজ্যের সাথে যোগ দিচ্ছে। ইয়াবা ব্যবসা করে বছরের শেষে কাঁড়ি কাঁড়ি অর্থ সম্পদ ও গাড়ি বাড়ির মালিক বনে গেছে অনেকে। ফলে চরমভাবে ওই এলাকায় শিক্ষিত শ্রেণি পেশার মানুষের চেয়ে নব্য কোটিপতি'র সংখ্যা দৃশ্যমান।

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এমনই একজন নব্য কোটি পতির নাম উঠে এসেছে, যার নাম মোহাম্মদ আব্দুল্লহ (প্রকাশ ইয়াবা আব্দুল্লাহ) সে বাহারছড়া ও নোয়াখালী পাড়ায় নাম্বার ওয়ান মোষ্ট ওয়ান্টেড ইয়াবা ডন ও মানবপাচারকারী হিসেবে খ্যাত।ইয়াবা আব্দুল্লাহ এলাকায় যুবলীগ নেতা ও পুলিশের দায়িত্বরত সোর্স পরিচয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদ আদায় করে আসছে। তারই সুবাদে ইয়াবা ও মানবপাচারে তার রামরাজত্ব চলমান। অাব্দুল্লাহ বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী পাড়া ৯নং ওয়ার্ডের নুর আহমেদের পুত্র।

সে নিজেকে টেকনাফ থানা ও বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির সোর্স, ‌কখনো র‍্যাবের সোর্স, কখনো বিজিবির সোর্স, ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা সহ বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে মাদক ও মানবপাচারে মতো জঘন্যতম অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। এছাড়াও সে বিভিন্ন নিরপরাধ মানুষকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ধমকি দিয়ে নিরবে চাঁদা আদায়েরও অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় তাঁর অপকর্মের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। কেউ সাহস পায় না প্রতিবাদের। প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। তথ্যনুসন্ধানে আরও জানা যায়, তাঁর অপকর্মে যোগান দাতা এক জনপ্রতিনিধি। তাঁর সাথে উপজেলার ক্ষমতাসীন এক সিনিয়র নেতার সাথে রয়েছে সখ্যতা। কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার সাথে রয়েছে দহরমমহরম সম্পর্কে। অথচ সে মাদকের এজাহার ভুক্ত আসামী হওয়া সত্ত্বেও কোন অদৃশ্য কারণে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে না। তাই কেউ প্রকাশ্যে মুখ না খুললে ও গোপনে তাকে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

এব্যাপারে, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, আব্দুল্লাহ নামে এক যুবক এলাকায় ইয়াবা ও মানবপাচার ব্যবসা করে শুনেছি।এক সময় সে ইয়াবা পাচার করতো।

টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, মাদকের সাথে সম্পৃক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবেনা।সে যেই হোক আইনের আওতায় তাকে আনা হবে।