• আজ শনিবার, ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ ৷ ১৫ মে, ২০২১ ৷

শাহজালালে তৃতীয় টার্মিনালের কাজ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী


❏ শনিবার, ডিসেম্বর ২৮, ২০১৯ জাতীয়

সময়ের কণ্ঠস্বর, ঢাকা- হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় নতুন টার্মিনালের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

একই দিনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের নতুন দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ সিরিজের ড্রিমলাইনার ‘অচিন পাখি’ ও ‘সোনার তরীর’ বাণিজ্যিক কার্যক্রমেরও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন শেখ হাসিনা। উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী উড়োজাহাজে আরোহণ করেন এবং ককপিটসহ বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, বিমানের পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান ইনামুল বারি, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান, বিমান সচিব মহিবুল হক, বিমানের এমডি মোকাব্বের হোসেন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার প্রমুখ।

জানা যায়, শাহজালালে নতুন টার্মিনাল স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নে ২১ হাজার ৩শ’ কোটি টাকা ব্যয় হবে। এরমধ্যে সরকারি কোষাগার থেকে পাওয়া যাবে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) থেকে পাওয়া যাবে। টামির্নাল নির্মিত হওয়ার পর শাহজালাল হবে এই অঞ্চলের মধ্যে সর্বাধুনিক বিমানন্দর। এটি নির্মিত হলে বছরে আরও অতিরিক্ত এক কোটি ২০ লাখ যাত্রী চলাচল করতে পারবেন।

নতুন আন্তর্জাতিক যাত্রী টার্মিনালটি হবে ২২ দশমিক ৫ লাখ বর্গফুটের। বর্তমানে দুটি টার্মিনালে ১০ লাখ বর্গফুট স্পেস রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিমানবন্দরের বর্তমান যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৮০ লাখ থেকে বেড়ে দুই কোটি হবে এবং কার্গোর ধারণ ক্ষমতা বর্তমান দুই লাখ টন থেকে বেড়ে পাঁচ লাখ টন হবে।

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক জানান, একটি একক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরের মাধ্যমে নতুন টার্মিনালটির সব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সম্ভব হবে। সরকার নতুন টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং টাস্কের জন্য একটি দক্ষ কোম্পানি মনোনীত করতে দরপত্র উন্মুক্ত করে দেবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) বৈঠকে ১৩ হাজার ৬১০ দশমিক ৪৭ কোটি টাকার এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে একটি পৃথক কার্গো হাউজ স্থাপনসহ প্রকল্প কাজের কিছু অংশ বর্ধিত করায় মোট প্রকল্প ব্যয় বেড়ে ২১ হাজার ৩শ’কোটি টাকা হয়েছে।